৩০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
শয়তান যেভাবে মুসলিম ভ্রাতৃত্ব বিনষ্ট করে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর: হাজী সেলিমের ছেলে এরফান গ্রেপ্তার সালাম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য: ঢাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে মামলা ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন সিঙ্গাইরের কৃতি সন্তান রেজাউল করিম তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদের সুস্থতা কামনায় রাজশাহীতে দোয়া মাহফিল সম্পত্তির লোভে মায়ের লাশ ৫ টুকরো করল ছেলে! কারাফটকে বিয়ে, তারপর মিলবে সাজাপ্রাপ্ত ধর্ষকের জামিন: হাইকোর্ট সিঙ্গাইরে যাত্রীবাহী বাস খাদে, চালকসহ তিনজন নিহত লেবাননে ফের সায়াদ হারিরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত ডিআইজি হাবিবুর রহমানের জায়গায় হলো বেদে সম্প্রদায়ের কবরস্থান
  • প্রচ্ছদ
  • অতিরিক্ত ও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল সমন্বয় করতে হাইকোর্টের নির্দেশ




  • অতিরিক্ত ও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল সমন্বয় করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

    জনশক্তি ডেস্ক:

    বিইআরসির দেওয়া সিদ্ধান্ত অনুসারে চার মাসের অতিরিক্ত ও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল সমন্বয় করে দুই মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ সোমবার রুলসহ এ আদেশ দেন।

    মার্চ, এপ্রিল, মে ও জুন—এই চার মাসে যেসব গ্রাহকের কাছ থেকে মিটার রিডিং ছাড়া অতিরিক্ত ও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল দাবি বা আদায় করা হয়েছে, তাঁদের চিহ্নিত করে অতিরিক্ত ওই বিল অবিলম্বে পরবর্তী মাসগুলোর বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে বলে গত ১৬ জুলাই বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সিদ্ধান্ত দিয়েছিল।

    বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ দেশের ছয়টি বিতরণী সংস্থার প্রতি ওই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি ও ২৪ মার্চ বিইআরসির দেওয়া সিদ্ধান্ত অনুসরণ না করে ওই চার মাসের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষে স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন ৫ অক্টোবর ওই রিট করেন। এতে বিইআরসির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় বিতরণী সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

    আদেশ জানিয়ে পরে আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, বিইআরসি ২৭ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুৎ বিল নির্ধারণ করে। এতে নির্ধারিত হারে বিল দিতে বিলম্ব হলে ৫ শতাংশ হারে মাশুল দিতে হবে বলা হয়। এরপর করোনা পরিস্থিতিতে গত ২৪ মার্চ বিইআরসি অন্য এক আদেশে জানায়, ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল বিলম্বের মাশুল মওকুফ করা হলো। তবে বিইআরসির এই সিদ্ধান্ত মানা হয়নি। বিতরণী সংস্থাগুলো বর্ধিত বিল দাবি ও আদায় করে। ১৬ জুলাই বিইআরসি আদায় করা অতিরিক্ত বিল সমন্বয়ের ওই আদেশ দেয়, এসব যুক্তিতে রিটটি করা হয়।

    রুলে বিইআরসির ২৭ ফেব্রুয়ারির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় ছয়টি বিতরণী সংস্থার বিরুদ্ধে বিআরআইসি আইনের ৪৩ ধারা অনুসারে ব্যবস্থা নিতে নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
    একই সঙ্গে বিতরণী সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা–ও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। বিদ্যুৎ–সচিব, অ্যানার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, ডিপিডিসি, ডেসকোসহ ১০ বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    Print Friendly, PDF & Email

    আরও পড়ুন