২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
সিঙ্গাইরে শিশু বলাৎকার মামলার প্রধান আসামী মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার লেবাননে ফের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, প্রবাসীদের উপচেপড়া ভির লেবানন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত সিঙ্গাইরে দেয়ালে অঙ্কিত বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতি কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলনের আজ শুভ জন্মদিন বিএনপির ৪৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে মালয়েশিয়ায় ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত যে কারণে হত্যার শিকার শিশু আল-আমীন, রহস্য উদঘাটন সিঙ্গাইর থানার ওসির পিতার মাগফিরাত কামনায় দোয়ার মাহফিল কানাডা প্রবাসী প্রয়াত জয়নুল আবেদীন স্বরণে দোয়ার মাহফিল তিনদিন পর সিঙ্গাইরে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার

এক সঙ্গে ১০ সন্তানের জন্ম

জনশক্তি ডেস্ক:

মরক্কোতে গত মাসে একসঙ্গে ৯টি বাচ্চার জন্ম দিয়েছিলেন এক নারী। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে তাঁর নাম উঠেছিল। মাস ঘুরতে না ঘুরতেই আবার ভাঙল সেই রেকর্ড। এবার একসঙ্গে দশ-দশটি সন্তানের জন্ম দিলেন এক নারী। নাম গোসিয়ামে থামারা সিথোল। ৩৭ বছর বয়সী ওই নারী দক্ষিণ আফ্রিকার বাসিন্দা। হাসপাতালে ভর্তির পর ডাক্তাররা পরীক্ষা করে প্রথমে জানান, তিনি ছয় সন্তানের মা হতে চলেছেন। কিছুদিন বাদে স্ক্যান করার পর সংখ্যাটি বেড়ে হয় আট। কিন্তু অস্ত্রোপচারের সময় দেখা যায়, আরো দুই নবজাতক উঁকি দিচ্ছে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ১০ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সিথোল।

এ ঘটনায় হকচকিয়ে গেছেন তাঁর স্বামী এবহো সোতেৎসি ও তার স্বজনরা। তিনি বলেছেন, ‘যতদূর জানতে পেরেছি, সাত ছেলে আর তিন মেয়ে। আমার স্ত্রী সাত মাস সাত দিন অন্তঃসত্ত্বা ছিল। এখন আমি সত্যি অবাক। আর খুব খুশিও।’

অন্যদিকে সিথোলের জবাব, সব কিছুই স্বাভাবিকভাবে হয়েছে। তিনি কোনো ফার্টিলিটি ট্রিটমেন্টের পথে হাঁটেননি। এর আগেও যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সিথোল। ছয় বছরের দুই মেয়ে আপাতত বাড়িতে নতুন সদস্যদের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে।

হাসপাতালে আসার পর কেমন সময় গেছে? সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সিথোল বলেন, ‘মনে মনে ভেবেছিলাম, আগে যেহেতু যমজ হয়েছে, এবার সেটা বেড়ে বড়জোর তিন হবে। কিন্তু চিকিৎসকের মুখে সংখ্যাটা শোনার পর আমি হতভম্ব হয়ে পড়ি।’

পেশায় একটি স্থানীয় দোকানের ম্যানেজার সিথোল একই সঙ্গে যোগ করেন, ‘পাশাপাশি দুশ্চিন্তাও হচ্ছিল, কিভাবে এতগুলো বাচ্চা একই সঙ্গে পেটে ধরবে? কারো মাথা-হাত-পেট জোড়া লেগে যাবে না তো? এমনই কথা মাথায় ঘুরত। চিকিৎসকরা ভিজিটে এলেই এসব নিয়ে প্রশ্ন করতাম। কিন্তু তাঁরা আশ্বস্ত করে জানান, আমার গর্ভাশয় নাকি আপনা থেকেই প্রসারিত হচ্ছে। ফলে দুর্ভাবনার কোনো কারণ নেই। শেষমেশ ঈশ্বরের কৃপায় সত্যিই তেমনটাই হলো।’

আরও পড়ুন