২৫শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে সিঙ্গাইর উপজেলা প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণ করলেন মানিকগঞ্জ নবাগত জেলা প্রশাসক আব্দুল লতিফ করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ডেল্টা প্লাস’নিয়ে কেন এত শঙ্কা গোটা বিশ্বের? রাশিয়াকে উড়িয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করলো ডেনমার্ক সিঙ্গাইরে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, নগদ এজেন্ট মালিককে অর্থদণ্ড প্রথম দিনে নাম নিবন্ধন করেছে ১৯৪জন পাসপোর্ট নাম্বার বিহীন লেবানন প্রবাসী সিঙ্গাইরে ট্রাকচাঁপায় মটরসাইকেল চালকের মৃত্যু একদিন নয়, প্রতিদিন হোক বাবা দিবস ব্র্যাকের মানবিধকার ও আইন সচেতনতা বিষয়ক মতনিময় সভা পরীমনির বাসা যেন মদের বার, প্রতিদিনই বসে আসর

এক সঙ্গে ১০ সন্তানের জন্ম

জনশক্তি ডেস্ক:

মরক্কোতে গত মাসে একসঙ্গে ৯টি বাচ্চার জন্ম দিয়েছিলেন এক নারী। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে তাঁর নাম উঠেছিল। মাস ঘুরতে না ঘুরতেই আবার ভাঙল সেই রেকর্ড। এবার একসঙ্গে দশ-দশটি সন্তানের জন্ম দিলেন এক নারী। নাম গোসিয়ামে থামারা সিথোল। ৩৭ বছর বয়সী ওই নারী দক্ষিণ আফ্রিকার বাসিন্দা। হাসপাতালে ভর্তির পর ডাক্তাররা পরীক্ষা করে প্রথমে জানান, তিনি ছয় সন্তানের মা হতে চলেছেন। কিছুদিন বাদে স্ক্যান করার পর সংখ্যাটি বেড়ে হয় আট। কিন্তু অস্ত্রোপচারের সময় দেখা যায়, আরো দুই নবজাতক উঁকি দিচ্ছে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ১০ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সিথোল।

এ ঘটনায় হকচকিয়ে গেছেন তাঁর স্বামী এবহো সোতেৎসি ও তার স্বজনরা। তিনি বলেছেন, ‘যতদূর জানতে পেরেছি, সাত ছেলে আর তিন মেয়ে। আমার স্ত্রী সাত মাস সাত দিন অন্তঃসত্ত্বা ছিল। এখন আমি সত্যি অবাক। আর খুব খুশিও।’

অন্যদিকে সিথোলের জবাব, সব কিছুই স্বাভাবিকভাবে হয়েছে। তিনি কোনো ফার্টিলিটি ট্রিটমেন্টের পথে হাঁটেননি। এর আগেও যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সিথোল। ছয় বছরের দুই মেয়ে আপাতত বাড়িতে নতুন সদস্যদের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে।

হাসপাতালে আসার পর কেমন সময় গেছে? সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সিথোল বলেন, ‘মনে মনে ভেবেছিলাম, আগে যেহেতু যমজ হয়েছে, এবার সেটা বেড়ে বড়জোর তিন হবে। কিন্তু চিকিৎসকের মুখে সংখ্যাটা শোনার পর আমি হতভম্ব হয়ে পড়ি।’

পেশায় একটি স্থানীয় দোকানের ম্যানেজার সিথোল একই সঙ্গে যোগ করেন, ‘পাশাপাশি দুশ্চিন্তাও হচ্ছিল, কিভাবে এতগুলো বাচ্চা একই সঙ্গে পেটে ধরবে? কারো মাথা-হাত-পেট জোড়া লেগে যাবে না তো? এমনই কথা মাথায় ঘুরত। চিকিৎসকরা ভিজিটে এলেই এসব নিয়ে প্রশ্ন করতাম। কিন্তু তাঁরা আশ্বস্ত করে জানান, আমার গর্ভাশয় নাকি আপনা থেকেই প্রসারিত হচ্ছে। ফলে দুর্ভাবনার কোনো কারণ নেই। শেষমেশ ঈশ্বরের কৃপায় সত্যিই তেমনটাই হলো।’

আরও পড়ুন