১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
সিঙ্গাইরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, পুরে ছাই একটি বাড়িসহ তিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ইউপি নির্বাচন: দলীয় না নির্দলীয় হবে, এ নিয়ে দ্বিধায় আ.লীগ ৬০ পৌরসভা নির্বাচন: ৪৬টিতে আ.লীগ ও চারটিতে বিএনপির জয় কাউন্সিলরের ভোট গোপন কক্ষে, বাইরে মেয়র প্রার্থীর ভোট আনন্দ মিছিলে হামলা, বিজয়ী কাউন্সিলর খুন দ্বিতীয় ধাপে ৬০টি পৌরসভায় নির্বাচন: বিএনপির তিন প্রার্থীর ভোট বর্জন সাভারে মেয়রপুত্র কাছে লাঞ্ছিত সাংবাদিক মালয়েশিয়া সরকারের ১৩ জানুয়ারি থেকে কড়া বিধিনিষেধের মাঝেও দূতাবাসের পাসপোর্ট বিতরন ওয়ালটন দিঘলিয়া প্রিমিয়ার লিগের ফাইনালে সুপার সিক্সার্স ৫২ পৌরসভায় ধানের শীষের টিকিট পেলেন যারা

কার্যাদেশের ৫ মাসেও শুরু হয়নি সিঙ্গাইর-সিরাজপুর সড়কের উন্নয়ন কাজ

মোবারক হোসেন:

কার্যাদেশ পাওয়ার পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর-সিরাজপুর সড়কের প্রশস্ত ও শক্তিশালীকরণের কাজ শুরু করেনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজ শুরু নিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী অফিস (এলজিইডি) ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ডলি কনক্ট্রাকশন লিমিটেড-এর মধ্যে চলছে চিঠি চালাচালি। এমতাস্থায় সড়কের উন্নয়ন কাজ আদৌ শুরু হবে কি-না তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। ভাঙাচোরা সড়কটি দিয়ে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকার জনসাধারণ। সড়কটির উন্নয়নকাজ দ্রুত শুরু করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) অফিস সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিন মানিকগঞ্জবাসীর জেলা শহর ও সিঙ্গাইর উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম সিঙ্গাইর-সিরাজপুর সড়ক। খানাখন্দক সৃষ্টি ও পিছ ঢালাই উঠে গিয়ে ৩-৪ বছর আগে গুরুত্বপূর্ন সড়কটি যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে বিধ্বস্ত সড়কটি উন্নয়নের দাবী জানিয়ে আসছিলেন এলাকাবাসী। এর প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে ৯ কিলোমিটার সড়কটির প্রশস্ত ও শক্তিশালীকরণের জন্য অর্থ বরাদ্ধ চেয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে প্রস্তাব পাঠায় উপজেলা প্রকৌশলী অফিস (এলজিইডি)। একই বছরের আগষ্ট মাসে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রকল্পটি অনুমোদন হয়। ওই বছরের নভেম্বর মাসে দরপত্র আহ্বান করা হয়। ১২ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজটি পান ডলি কনক্ট্রাশন লিমিটেড। চলতি বছরের ২৪ মার্চ চুক্তিপত্র সম্পন্ন বা কার্যাদেশ দেওয়া হয়। চুক্তিপত্র অনুযায়ী ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু চুক্তিপত্রের পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও কাজ শুরু করেনি ঠিকাদার। এ নিয়ে এলাকাবাসী ও যানবাহন চালকদের মাঝে চাঁপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ডলি কনক্ট্রাকশন লিমিটেড-এর প্রকল্প পরিচালক ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সরকারি আদেশে ২৬ মার্চ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত দেশের সব উন্নয়নকাজ বন্ধ ছিল। একারণে চুক্তিপত্র অনুযায়ী যথাসময়ে সড়কটির কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। ১৫ মে’র পর কাজ করার নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এরপর প্রকল্পটি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য গত ২৪ জুন উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সাইড বুঝিয়ে না দেওয়ায় কাজ শুরু করা যাচ্ছেনা।

উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মাদ রুবাইয়াত জামান বলেন, কাজ পাওয়ার পর থেকেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ডলি কনক্ট্রাকশন লিমিটেড কর্তৃপক্ষ অসৎ উদ্দেশ্যে প্রকল্পের কাজ শুরু নিয়ে নানা টালবাহানা করে আসছে। কাজ শুরু করার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পরপর তিনবার তাগিদপত্র দেওয়া হয়। এরপরও ঠিকাদার কোনো কিছুর তোয়াক্কা করছেন না। এমনকি এসব চিঠিরও কোনো জবাব দেয়নি ঠিকাদার। কাজটি ফেলে রাখার কারণে উন্নয়নের সুফল হতে বঞ্চিত হচ্ছে জনসাধারণ।এখন পিপিআর-২০০৮ এর চুক্তির ধারা মোতাবেক প্রকল্পের চুক্তিপত্র বাতিলের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন