২৫শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • ধর্মের অপব্যবহার করে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা করতে না পারে: রাষ্ট্রপতি




  • ধর্মের অপব্যবহার করে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা করতে না পারে: রাষ্ট্রপতি

    জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, ধর্মের অপব্যবহার করে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে।

    বড়দিন উপলক্ষে বুধবার বঙ্গভবনে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।
    তিনি বলেন, ‘ধর্ম আমাদের আলোর পথ দেখায় এবং অন্যায়, অবিচার ও অন্ধকার থেকে দূরে রাখে…। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কেউ এই ধর্মের অপব্যবহার বা ভুল ব্যাখ্যা করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে।’

    রাষ্ট্রপতি বাবা-মা’দের পাশাপাশি অভিভাবকদের আরো ইতিবাচক ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান, যাতে কেউ বিশেষ করে যুব সমাজ বিপথে চলে না যায়।

    বাংলাদেশকে শান্তি ও সমৃদ্ধির দেশ আখ্যায়িত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের নিরলস প্রচেষ্টায় এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।

    এসময় তিনি ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিব বর্ষ’ এবং ২০২১ সালে দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে দেশবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

    এর আগে বড়দিন উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, যীশু খ্রিস্ট ছিলেন সত্যান্বেষী, মানবজাতির মুক্তির দূত এবং আলোর দিশারি। স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি পৃথিবীকে শান্তির আবাসভূমিতে পরিণত করতে তিনি বহু ত্যাগের বিনিময়ে সৃষ্টিকর্তার মহিমা ও খ্রিস্টধর্মের সুমহান বাণী প্রচার করেন।

    যীশু খ্রিস্ট পথভ্রষ্ট মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথে আহ্বান জানান উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘তিনি মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, সেবা, ক্ষমা, মমত্ববোধ, সহানুভূতি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠাসহ শান্তিপূর্ণ অবস্থানের শিক্ষা দেন।’

    আজ বঙ্গভবেনে রাষ্ট্রপতি খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে তাদের পবিত্র বড়দিনের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি আগামী দিনগুলোতে সুখী, সমৃদ্ধ ও আনন্দময় জীবন কামনা করেন।

    বড়দিন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এবং তার স্ত্রী রাশিদা খানম রাষ্ট্রপতি প্রাসাদে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। যেখানে মোমবাতি জ্বালিয়ে একটি ‘ক্রিসমাস ট্রি’ও স্থাপন করা হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের আর্চবিশপ, বিভিন্ন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ধর্মীয় নেতা ও পেশাজীবীরা অংশ নেবেন।

    এছাড়া, অনুষ্ঠানে শিল্পীরা বড়দিনের গান পরিবেশন করবেন। পরে রাষ্ট্রপতি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যদের সাথে নিয়ে বড়দিনের কেক কাটবেন।

    Print Friendly, PDF & Email

    আরও পড়ুন