১৭ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • ‘ক্লাস ক্যাপ্টেন’ নিয়ে বিরোধে হত্যাচেষ্টা, ৩ কিশোর আটক
  • ‘ক্লাস ক্যাপ্টেন’ নিয়ে বিরোধে হত্যাচেষ্টা, ৩ কিশোর আটক

    প্রতীকী ছবি

    জনশক্তি রিপোর্ট: স্কুলে ‘ক্লাস ক্যাপ্টেন’ বা ‘শ্রেণি প্রতিনিধি’ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে এক ছাত্রকে হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় দুই কলেজ ছাত্রসহ তিন কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।

    গ্রেফতার হওয়া তিনজন বিরোধে জড়ানো স্কুল ছাত্রদের ‘বড় ভাই’ হিসেবে পরিচিত।

    চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানার জামাল খান রোডের শাহ ওয়ালীউল্লাহ ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র তাহমিদ আল হোসানকে (১৪) রোববার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ছুরিকাঘাত করা হয়। ঘটনার পর তাহমিদের বাবা এইচ এম নাছিরউদ্দিন তার ছেলেকে ছিনতাইকারীরা ছুরিকাঘাত করেছে বলে অভিযোগ করেছিলেন। তবে তদন্তে নেমে পুলিশ পেয়েছে ভিন্ন তথ্য।

    এ ঘটনায় সোমবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়। এরা হলো-উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের ছাত্র ফরহাদ ইসলাম ফয়সাল, মেহজাদ মাহবিন নাবিয়ান এবং ওয়ার্কশপ কর্মচারি শাকিবুল ইসলাম বাবু।

    ফয়সাল নগরীর ওমরগণি এমইএস কলেজে এবং নাবিয়ান পাঁচলাইশের সিএসবিএস নামে একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন জানান, তিনমাস আগে ক্লাস ক্যাপ্টেন সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন নিয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রদের মধ্যে দুটি গ্রুপ সৃষ্টি হয়। এক গ্রুপের নেতৃত্বে ছিল তাহমিদ এবং আরেক গ্রুপে ছিল ইশতিয়াম সায়মন নামে আরেক ছাত্র। বিষয়টি নিয়ে রোববার ছাত্রদের মধ্যে আবারও ঝগড়া হয়। এরপর সায়মন তার কথিত তিন বড় ভাইকে ডেকে নিয়ে আসে তাহমিদকে শায়েস্তা করার জন্য।

    কোতোয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিকাশ চন্দ্র শীল জানান, শাকিবুল পড়ালেখা না করলেও ফয়সাল-নাবিয়ানদের সঙ্গে নিয়মিত আড্ডা দেয়। কয়েকজন স্কুল-কলেজের ছাত্র নিয়ে তাদের একটি গ্রুপ আছে। ঘটনার দিন (রোববার) বিকেলে জামালখান মোড়ে ডা. খাস্তগীর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে যাত্রী ছাউনির পাশে তাহমিদকে ছুরি মারে শাকিবুল। ফয়সাল ও নাবিয়ান তাকে প্রথমে মারধর করে ও ছুরি মারার সময় দুইদিক থেকে ধরে রাখে।

    আহত তাহমিদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন এসআই বিকাশ চন্দ্র শীল।

    ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ‘তাহমিদের বাবা ছিনতাইয়ের অভিযোগ করলেও আসলে এটি ছিনতাইয়ের কোন ঘটনা নয়। এটি আসলে শিশু-কিশোরদের বীরত্ব দেখানোর প্রবণতা থেকে সৃষ্ট একটি ঘটনা।’

    এই ঘটনায় তাহমিদের বাবা এখনও মামলা করেননি বলে জানান ওসি।

    আরও পড়ুন

    [X]