১৭ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • গান গাইতে গিয়ে হেনস্তার শিকার সোমলতা
  • গান গাইতে গিয়ে হেনস্তার শিকার সোমলতা

    গান-গাইতে-গিয়ে-হেনস্তার-শিকার-সোমলতা

    জনশক্তি সংবাদ: পশ্চিমবঙ্গে বাংলা গানের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী সোমলতা আচার্য চৌধুরী গান গাইতে গিয়ে এক অনুষ্ঠানে নানাভাবে হেনস্তার শিকার হয়েছেন। অনুষ্ঠানটি ছিল ভারতের ধূপগুড়ি এলাকায়।

    সেখান থেকে কলকাতায় ফিরে গতকাল শনিবার ফেসবুক লাইভে এসে তিনি তুলে ধরেন হেনস্তা হওয়ার পুরো ঘটনা।
    সোমলতা জানান,, গত শুক্রবার রাতে ধূপগুড়ির কালিরহাটে দেওয়ান চন্দ্র হাইস্কুলের সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয় তাঁকে। তিনি সেখানে নিজের ব্যান্ড সোমলতা অ্যান্ড দ্য অ্যাসেসকে নিয়ে যান। গান গাওয়ার সময় অর্ণব সাহা নামের ওই স্কুলের একজন শিক্ষক মঞ্চে এসে নানাভাবে সোমলতা আর তাঁর ব্যান্ডের সদস্যদের বিরক্ত করেন, একপর্যায়ে সোমলতার হাত থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নেন এবং উপস্থিত দর্শকদের বিভিন্ন কথা বলে উত্তেজিত করার চেষ্টা করেন। গান ঠিকমতো শোনা যাচ্ছে না বলে অর্ণব সাহা বারবার অভিযোগ করছিলেন।

    সোমলতা ফেসবুক লাইভে দাবি করেন, এ সময় লোকটি মদ্যপ ছিলেন। তিনি নিজেকে একটি পত্রিকার স্থানীয় সাংবাদিক হিসেবেও পরিচয় দেন।

    তিনি আরও জানান, মঞ্চে উঠে সামনে বসা ছেলেমেয়েদের উত্তেজিত করার উদ্দেশ্যে অর্ণব সাহা বলেন, তোমরা কেউ গান শুনতে পাচ্ছ? তোমরা এত টাকা খরচ করে এই অনুষ্ঠান দেখতে এসেছ। অথচ গানই শুনতে পাচ্ছ না।

    অনুষ্ঠানে সোমলতা ১ ঘণ্টা ৫৪ মিনিট গান করেছেন। তখন মঞ্চের সামনে ছিলেন প্রায় ১৫ হাজার দর্শক। গান শেষে সোমলতার ব্যান্ডের সদস্যদের আটকে রাখার চেষ্টা করা হয়। পরে পুলিশের সহায়তায় তাঁরা অনুষ্ঠানস্থল থেকে হোটেলে যান।

    অর্ণব সাহা ও তার দলবলের হামলার আশঙ্কায় জলপাইগুড়ি পুলিশের সহায়তায় সোমলতা আর তাঁর ব্যান্ডের সদস্যরা হোটেল থেকে দ্রুত বের হয়ে রাত দুইটা নাগাদ শিলিগুড়ি পৌঁছান সবাই।

    সোমলতার এ অভিযোগ সম্পর্কে অর্ণব সাহার কাছে স্থানীয় গণমাধ্যম জানতে চাইলে, পুরো অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। অর্ণব সাহা দাবি করেন, তিনি মদ্যপ ছিলেন না।

    এদিকে শুক্রবার রাতেই জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার অমিতাভ মাইতি ধূপগুড়ি থানার পুলিশ কর্মকর্তাকে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করার নির্দেশ দেন।

    /এসই

    আরও পড়ুন

    [X]