২৮শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • ছাত্রলীগকে ভাইলীগ করতে ব্যর্থ হয়ে সংগঠন নিয়ে বিতর্ক: মামুন বিন সাত্তার




  • ছাত্রলীগকে ভাইলীগ করতে ব্যর্থ হয়ে সংগঠন নিয়ে বিতর্ক: মামুন বিন সাত্তার

    ছাত্রলীগকে ভাইলীগ বানানোর ষড়যন্ত্রে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি সংগঠনকে বিতর্কিত করতে আন্দোলন করছে বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন বিন সাত্তার। বুধবার মুঠোফোনে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

    মামুন বলেন, শুরুতে যারা আন্দোলন করছিলো তারা অনেকেই পদ না পেয়ে মাঠে নেমেছিলো। পরে তারা ভুল বুঝতে পেরে মাঠ ছেড়ে চলে গেছেন। কিন্তু যারা এরপরও বসে আছেন, তারা অনেকে পদপ্রাপ্ত, কিন্তু কাঙ্খিত পদ পাননি।

    তিনি বলেন, পদ না পাওয়ার চেয়ে বড় কথা হলো, এবার ছাত্রলীগকে সিন্ডিকেট মুক্ত করতে জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজে কমিটির দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তিনি কমিটি গঠন করেছেন। কিন্ত একদল লোক ছিলো যারা কমিটিকে ভাইলীগ করতে চেয়েছিলো। তারা ব্যার্থ হওয়ায় কমিটিকে বিতর্কিত দেখাতে এখনও আন্দোলন করছে।

    নতুন কমিটির সব কাজকে সবাই স্বাগত জানাচ্ছে উল্লেখ করে মামুন বলেন, ছাত্রলীগকে প্রাণচঞ্চল ও কর্মোদ্যম করতে আমরা জেলা সফর শুরু করেছি। আমরা যেখানেই যাচ্ছি প্রচুর সাড়া পাচ্ছি। স্থানীয় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের সহযোগিতা করছে। স্থবির থাকা কমিটি আবার চলমান করে দিচ্ছি। নেতাকর্মীরা এতে উল্লাস প্রকাশ করেছে।

    ছাত্রলীগকে গতিশীল করতে নানা উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা পর্যায়ক্রমে ১১০টি ইউনিটেই সাংগঠনিক সফর দেব। এরইমধ্যে আমরা পটুয়াখালী সফর করেছি। সেখানে ৮টি উপজেলার মধ্যে ৫টিতে সম্মেলন করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    বরিশালে সফরের বিষয়ে তিনি বলেন, এখানে বেশকিছু সাংগঠনিক জটিলতা আছে। বরিশালে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের সম্ভাবনা আছে। সেসব বিষয় বিবেচনা করেই কমিটি ঠিক করা হবে।

    সভাপতি সাধারণ সম্পাদক একত্রে ট্যুরে যাননি কেন এমন প্রশ্নে মামুন বিন সাত্তার বলেন, একটা বিতর্ক শুরু হয়েছে, সভাপতি-সম্পাদক কেন একত্রে যাননি! দেখেন, আমরা আলাদা টিম করে ট্যুর দিচ্ছি। একই সময়ে যদি কেন্দ্রীয় দুইজন সিনিয়র নেতাই ঢাকার বাইরে থাকে তাহলে কেন্দ্রস্থ বিষয় দেখবে কে? এ জন্যে একসঙ্গে দুইজনের ঢাকার বাইরে যাওয়া হয়নি। এটা নিয়ে বিতর্কের কিছুই নেই। আমরা যেখানেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছি সভাপতির সঙ্গে কথা বলে তার সম্মতিতেই নিচ্ছি। কেন্দ্র দেখার জন্য সবসময় কাউকে থাকতে হবে। সামনে সিলেট, চট্টগ্রাম যাব তখনও কাউকে আলাদা হয়ে ঢাকায় থাকতে হবে।

    ছাত্রলীগের বর্তমান সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা জলবায়ু নিয়েও কাজ করছি। বরিশালে গ্রিন সিটিতে আমরা বনজ, ফলজ, ভেষজ গাছ রোপন করেছি।

    এ সময় সংগঠনকে গতিশীল করতে উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়ে মামুন বলেন, সংগঠনে ১১ জনের একটা সেল করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সভাপতি-সম্পাদক সফর করার আগেই সেলের সদস্যরা জেলায় যাবে। সেখানে থেকে মনিটরিং করবে কার্যক্রম। তাদের রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে সভাপতি-সম্পাদক সমস্যাগুলোর সুষ্ঠু সমাধান করবেন।

    Print Friendly, PDF & Email

    আরও পড়ুন