২৯শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
পুলিশ বাহিনীকে দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত করার পদক্ষেপ সিঙ্গাইরে সাত মামলার পলাতক আসামি ডাকাত রিয়াজুল গ্রেফতার এক দিনে ৪৭ মামলার রায়, হাসিমুখে বাড়ি ফিরলেন ৪৬ দম্পতি নোয়াখালী জেলা রোভারের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ পরশ ও যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের ভার্চুয়াল সভা পৌর নির্বাচন ও দলীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে সিঙ্গাইর উপজেলা আ.লীগের বর্ধিত সভা গৃহকর্মীকে ধর্ষণের পর সাততলা থেকে ফেলে দেওয়া হয় ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঢাকা মহানগর উত্তর আ.লীগের অর্থ সম্পাদক হলেন শিল্পপতি সালাম চৌধুরী টিউশন ফি ছাড়া অন্য খাতে অর্থ নিতে পারবে না স্কুল-কলেজ
  • প্রচ্ছদ
  • ‘ছাত্রলীগের কমিটি ভাঙার নির্দেশ’ গুজব ছাড়া কিছু নয়




  • ‘ছাত্রলীগের কমিটি ভাঙার নির্দেশ’ গুজব ছাড়া কিছু নয়

    জনশক্তি রিপোর্ট: ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তবে কমিটি ভেঙে দেয়ার মত কোন সরাসরি নির্দেশনা দেননি প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    শনিবার দলের স্থানীয় সরকার ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের কার্যক্রমে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন তিনি। এরপরই ছড়িয়ে পড়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    তবে, বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন, কমিটি ভেঙে দেয়ার মতো কোনো নির্দেশ দেননি প্রধানমন্ত্রী। তবে, যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে না পারায় এবং সাম্প্রতিক বেশ কিছু কর্মকাণ্ডে তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিষয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন।

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, “ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।”

    বৈঠকের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রংপুর-৩ এর উপ-নির্বাচন এবং কয়েকটি উপজেলার প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে আয়োজিত এ বৈঠকে ছাত্রলীগের প্রসঙ্গ উঠে আসে। ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে তাদের সময়নিষ্ঠা ও বেশ কিছু ইউনিটের কমিটি গঠন নিয়ে ব্যর্থতা ও অনিয়মের বিষয়টি আলোচনায় আসে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্নসূত্রে পাওয়া তথ্যের কথা উল্লেখ করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তখন বেশ কয়েকজন নেতাও বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেন।

    সভা চলাকালে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গণভবনে উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতার পরামর্শে তারা সেখান থেকে চলে যান।

    এ বিষয়ে ছাত্রলীগের একজন শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করে জানান, শুনেছি ছাত্রলীগের কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কমিটি ভাঙার মতো কিছু বলেননি। অনেকেই এই কমিটিকে নিয়ে বিতর্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তারাই এসব ছড়িয়ে থাকতে পারে।

    উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১২ ও ১৩ মে সম্মেলন করেও কমিটি করতে ব্যর্থ হয় ছাত্রলীগ। পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের কমিটি গঠনে দিকনির্দেশনা দেন। সে বছরের ৩১ জুলাই রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি ও গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। চলতি বছরের ১৩ মে সম্মেলনের এক বছরের মাথায় ৩০১ সদস্য পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার করে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক।

    আরও পড়ুন