২রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
রাস্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিনের দাফন সম্পন্ন সাভারে সময় টিভির সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা সিঙ্গাইরে হেরোইন সেবনের অভিযোগে মাদকাসক্তকে ৬ মাসের কারাদণ্ড সিঙ্গাইরে পুলিশের উদ্যোগে অটোরিকশা চালকরা পেল জেলা পরিষদের খাদ্যসামগ্রী অটোরিকশা চালকদের খাদ্যসামগ্রী দিয়ে প্রশংসিত ওসি সিঙ্গাইর পৌর এলাকায় ন্যায্য মুল্যে ওএমএস’র চাল ও আটা বিক্রি শুরু লকডাউনে সিঙ্গাইরে কারখানা খোলা রাখায় পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের দায়ে সিঙ্গাইরে ৫১ জনকে ৫৬৪০০ টাকা জরিমানা এবার ঈদে কোরবানি হয়েছে ৯৭ লাখ পশু, অবিক্রীত ২৮ লাখ ডিসির মহানুভবতা: দণ্ডের পরিবর্তে খাদ্যসামগ্রী পেল অটোরিকশা চালকরা

তৈরি পোশাকে ৮৩২ কোটি পিস অর্ডার বাতিল

মহামারি করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের অর্থনীতিতে। এরই মধ্যে গার্মেন্টস খাতে ৮৩২ কোটি পিস অর্ডার বাতিল হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ২২ হাজার কোটি টাকার বেশি।

বাংলাদেশ পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিজিএমইএ’র হিসাব অনুযায়ী, শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুর ১টা পর্যন্ত ৯৭৮টি কারখানার ৮৩২ কোটি পিস অর্ডার বাতিল হয়ে গেছে। যার আর্থিক মূল্য দুই দশমিক ৬৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর এসব কারখানায় প্রায় ১৯ লাখ ৮০ হাজার শ্রমিক কাজ করেন।

সংগঠনটি বলছে, করোনাভাইরাসের প্রভাবে ক্রেতারা অর্ডার আপাতত বাতিল করছেন। এতে সংকট তৈরি হচ্ছে। ইতিমধ্যে অর্ডার বাতিল প্রসেঙ্গ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক।

রুবানা হক বলেন, ‘ভয়াবহ অবস্থা চলছে আমাদের তৈরি পোশাক খাতে। বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীরা অর্ডার বাতিল করে দিচ্ছেন। যদিও তারা বলছেন স্থগিত। তবে আমাদের জন্য স্থগিত ও বাতিল একই জিনিস।’

এদিকে করোনা মোকাবিলায় ও শ্রমিকদের সুরক্ষায় পোশাক কারখানা বন্ধ রাখতে কারখানা মালিকদের প্রতি ২৬ মার্চ আহ্বান জানান ড. রুবানা হক। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি সবার সুরক্ষা ও সুস্বাস্থ্যের জন্য সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সর্ববৃহৎ শিল্প হিসেবে আমাদের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা উচিত। আশা করি, এ অবস্থায় কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবেন ‘ এর আগে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। তবে এসময় খাদ্যপণ্য, ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনের শিল্প কারখানা খোলা থাকবে। এজন্য অবশ্যই করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে শতভাগ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

গত ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের ঘোষণা দেন। এরপরেই বিজিএমইএসহ পোশাক খাতের বিভিন্ন সংগঠন কারখানা বন্ধ রাখার আহ্বান জানায়।

আরও পড়ুন