২৮শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর




  • ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    জনশক্তি ডেস্ক:

    ধর্ষণ প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়াসহ এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে প্রশাসনের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘ইদানীং ধর্ষণটা ব্যাপকভাবে হচ্ছে এবং প্রচারও হচ্ছে। এটার যত বেশি প্রচার হয়, প্রাদুর্ভাবটাও তত বাড়ে।’গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (বিপিএটিসি) ৭০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী এবং সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাভারে লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মূল অনুষ্ঠানস্থলসহ দেশের সাতটি বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা একটা অধ্যাদেশ জারি করে দিয়েছি আইন সংশোধন করে। কাজেই এখানে এ ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য ব্যাপক ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে। আর সব থেকে বড় কথা, মানুষের মাঝে জনসচেতনতাও সৃষ্টি করা দরকার।’

    একের পর এক যৌন নিপীড়নের ঘটনায় দেশজুড়ে প্রতিবাদ আর বিক্ষোভের মধ্যেই গত মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান সংযুক্ত করে অধ্যাদেশ জারি করে সরকার।

    নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে আমাদের গ্র্যাজুয়েশন আমরা পেয়েছি, কিন্তু এটাকে আমাদের ধরে রাখতে হবে। আমরা বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ২০৪১ এ আমাদের দেশ উন্নত হবে। আর আজকে যারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, আপনারাই থাকবেন আগামী দিনের কর্ণধার। আপনারাই দেশটাকে পরিচালনা করবেন, দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’

    তিনি বলেন, ‘আমি বলব, ২০৪১ পর্যন্ত তো আমি বাঁচব না, কিন্তু ২০৪১-এর যাঁরা সৈনিক, আপনারা হচ্ছেন এই নতুন প্রজন্ম, আপনারাই সৈনিক। আপনারাই এই দেশকে সেইভাবে গড়ে তুলবেন। যেন বাংলাদেশ আর কোনো দিন পিছিয়ে না যায়, সেইভাবে আপনারা চলবেন।’

    ২০৭১ সালে স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপিত হবে উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০৭১-এ আমরা যে শতবর্ষ উদযাপন করব, সেটাও কিন্তু আপনারা সেই সময় করবেন বা এর পরে আপনাদের পরবর্তী প্রজন্ম আসবে, তারা উদযাপন করবে। আমি ২১০০ সাল পর্যন্ত পরিকল্পনা দিয়ে গেলাম।’

    মানুষের জীবনে একটা দিকনির্দেশনা, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকতে হয় মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য না থাকলে কোনো দেশ এগোতে পারে না। দিকহারা জাতি কখনো কোনো ঠিকানা খুঁজে পায় না। কাজেই সেদিকে লক্ষ রেখেই সকল পরিকল্পনা দিয়ে গেলাম, যেটা আপনারা এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’ সূত্র : বাসস।

    Print Friendly, PDF & Email

    আরও পড়ুন