১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • বাবুগঞ্জে দরিদ্রদের জন্য গৃহনির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন
  • বাবুগঞ্জে দরিদ্রদের জন্য গৃহনির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন

    আব্দুল্লাহ মামুন,বরিশাল প্রতিনিধি: ‘সবার জন্য বাসস্থান, শেখ হাসিনার অবদান’ এ শ্লোগানে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ‘যার জমি আছে ঘর নেই, তার নিজ জমিতে গৃহনির্মাণ প্রকল্প’-বাস্তবায়নের আওতায় বরিশালের বাবুগঞ্জের ৭৭ টি গৃহহীন পরিবারের গৃহনির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।

    আজ শনিবার সকাল ১১ টায় ওই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর (উত্তর) যুব-মহিলালীগরে সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জের কৃতি সন্তান সালমা আক্তার। এ উপলক্ষে আজ শনিবার সকালে রহমতপুর ইউনিয়নের লোহালিয়া গ্রামের উপকার ভোগী মোঃ জাফর ফকিরের বাড়িতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সরোয়ার মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনা সভায় উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দরিদ্রদের জন্য গৃহনির্মাণের স্বপ্নদ্রষ্টা,ঢাকা মহানগর (উত্তর) আওয়ামী যুব-মহিলা লীগের সহ-সভাপতি সালমা আক্তার। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য মোঃ জাকির হোসেন, মোসাঃ রহিমা আক্তার, সমাজ সেবক মোঃ নূরে আলম, দলিল উদ্দিন ফকির প্রমূখ।

    এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপকারভোগী মোঃ রফিক হাওলাদার, চেরাগ আলী মিয়া, মোঃ নূরুল হক, মোঃ জাফর ফকির, জাফর ফকির তার বক্তব্যে বলেন এক সময় মাথা গোঁজার মতো ঠাই ছিলেনা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতি¯্রুতি ও সালমা আপার সহযোগিতায় আজ মাথা গোঁজার ঠাই পেয়েছি। এ সময় তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বাবুগঞ্জের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ‘যার জমি আছে ঘর নেই, তার নিজ জমিতে গৃহনির্মাণ প্রকল্প’-বাস্তবায়নের সহযোগিতা করার সালমা আক্তারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সালমা আক্তার জানান, মানুষ মানুষের জন্য,জীবন জীবনের জন্য এমন এই শ্লোগানকে বুকে লালন করে সাধারন মানুষের জন্য কিছু করতে পারাই আমার কাছে স্বার্থকতা।

    নিজের সাধ্যের মধ্যে যা সম্ভব সব সময় অসহায় মানুষের জণ্য তা করার চেষ্টা করেছি। বাবুগঞ্জে বসবাসরত গরীব ও অসহায়, যাদের জমি আছে কিন্তু ঘর নেই এমন ৭৭ টি পরিবারকে আশ্রায়ণ প্রকল্প-২ এর অধীনে সরকারিভাবে একটি করে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে। সে লক্ষে বাবুগঞ্জের গৃহহীণ অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সাবেক) দীপক কুমার রায়ের সুপারিশক্রমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই প্রকল্পটি অনুমোদন করিয়ে ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে। জানাগেছে, ষোল ফিট বাই ষোল ফিট ঘরে একটি টয়লেট থাকবে। প্রকল্পেটি আগামী ৩০ দিনের মধ্য বাস্তবায়ণ হবে, এবং প্রতিটি ঘরের জণ্য ১ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন

    [X]