২৪শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
পৌর নির্বাচন ও দলীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে সিঙ্গাইর উপজেলা আ.লীগের বর্ধিত সভা গৃহকর্মীকে ধর্ষণের পর সাততলা থেকে ফেলে দেওয়া হয় ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঢাকা মহানগর উত্তর আ.লীগের অর্থ সম্পাদক হলেন শিল্পপতি সালাম চৌধুরী টিউশন ফি ছাড়া অন্য খাতে অর্থ নিতে পারবে না স্কুল-কলেজ লেবানন কেন্দ্রীয় আ’লীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সত্যি হলো আসিফ নজরুলের ভবিষ্যত বানী, বাইডেন ৩০৬ ও ট্রাম্প ২৩২ সিঙ্গাইরে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষে নারী উন্নয়ন সংস্থার সংবাদ সম্মেলন ফ্রান্সে মহানবীর (সা) ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন: প্রতিবাদে তারাকান্দায় মিছিল সমাবেশ বাসে আগুন, বিএনপির ৪৪৬ নেতাকর্মীর নামে ৯ মামলা,আটক ২০
  • প্রচ্ছদ
  • বাহারী ফল যেন থাই পর্যটন শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ




  • বাহারী ফল যেন থাই পর্যটন শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ

    থাইল্যান্ডের একটি ফলের দোকান থেকে কেনাকাটা করছেন নাজির আহমেদ সরকার।

    ইমরুল কাওসার ইমন : বাহারী ফল এবং ফলের জুস, থাইল্যান্ডের পর্যটন শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানে ঘুরতে এসে ফল না খেয়ে গেছেন এমন পর্যটক খুঁজে পাওয়া অনেক মুশকিল। শুধু ব্যাংকক কিংবা পাতায়াতেই নয়। সমগ্র থাইল্যান্ডের পর্যটন শহরগুলোতে নানান ভাবে সাজিয়ে বিক্রি করা হয় বিভিন্ন ধরনের ফল। তবে রাস্তায় বিক্রি হয় বলে এগুলোকে সস্তা ভাবলে ভুল হবে। তবে মূল্য একেবারে গগণচুম্বিও নয়। হাতের নাগালে।
    থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক শহরের সুকুম্ভিত এলাকার অলিগলি কিংবা প্রধান সড়কগুলোর পাশে হরহামেশাই দেখা মিলবে এসব ফল বিক্রেতাদের। বিশেষ ভাবে তৈরি ভ্যানে কাঁচের তৈরি বাক্সে বিক্রি করা হয় বাহারী রকমের ফল। শুধু মাত্র বাংলাদেশি পর্যটকই নয়, সারা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষগুলো এসব ভ্যান থেকেই পছন্দের ফল কিনে খেতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন।
    থাইল্যান্ডে বিেিশষ ভ্যানে ওই সব ফল বিক্রির ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম নজর দেয়া হয় পরিচ্ছন্ন পরিবেশনের ওপর। হাতে গ্লভ্স পরা পুরুষ কিংবা নারী ফল বিক্রেতাদের ব্যবহারও যেন পর্যটকদের মনকে পুলকিত করে তোলে। ভ্যানে কাঁচের বাক্সের ভেতরের স্থরে থাকে স্বচ্ছ বরফ। যেন সব সময়ই ফলগুলোকে তাজা ও সতেজ রাখে। ওই সব ভ্যান থেকে ফল কেনার ক্ষেত্রে বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলা কিংবা পছন্দের ফল চাইতে ইংরেজি বা অন্য কোনো ভাষায় কথা বলার প্রয়োজন হয় না। শুধু মাত্র ইশারা-ই যথেষ্ট।
    ভ্যানগুলোতে বিক্রি হওয়া ফলের মধ্যে অন্যতম হলো পেঁপে, আম, ড্রাগন ফল, রামভূটান, আনারস, দূরিয়ান, তরমুজ, পেয়ারা, কলা, আপেল, এবং কাঁঠাল। থাইল্যান্ডের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে এসব ফলের দাম ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে পাতায়া কিংবা ব্যাংককে একটি আম কিনতে গুনতে হবে ৩০ থাই বাথ (বাংলাদেশি টাকায় ২ দশমিক ৬০ পঁয়সা) অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় ৭৮ টাকা। এছাড়াও রয়েছে মাঝারি আকারের পেঁপে অর্ধেক ২০ বাথ, ড্রাগন ফল ৩০ বাথ, তরমুজ এক পিস ২০ বাথ, পেয়ারা একটি ২০ বাথ।
    তবে থাইল্যান্ডে সব অন্যতম জনপ্রিয় ফল হলো দূরিয়ান। ফলটি দেখতে কাঁঠালের মতো কিন্তু স্বাদ কলার মতো। ভিন দেশি পর্যটকরা এই ফলটি খেতে খুবই পছন্দ করেন। তবে অন্যসব ফলের মতো এটি নয়। দূরিয়ানের সুগন্ধ অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পরে। আর অনেক দীর্ঘ সময় ধরে এ গন্ধ শরীরে থেকে যায়। তবে কেউ হোটেলের কক্ষে দূরিয়ান নিয়ে প্রবেশ করতে প্রবেশ করতে পারবে না। এর সুগন্ধ পুরো হোটেলেই ছড়িয়ে পড়ে। ফলে দূরিয়ান হোটেলে আনা নিষিদ্ধ।
    শুধু ফলই নয়। ফলের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকদের কাছে অনেক জনপ্রিয় ফলের জুসও। তবে ফলের তুলনায় জুসের দাম কিছুটা বেশি। ব্যাংকক, পাতায়া, ফুকেট কিংবা ক্রাবি সব খানেই মিলবে ফলের জুস। সড়কের পাশের দোকানে কিংবা ভ্যানে বিক্রি হয় এসব জুস।
    ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে থাইল্যান্ডে বসবাস করা প্রবাসী নাজির সরকার বলেন, এসব ফল এবং ফলের জুস পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। সব বয়সের মানুষ এর স্বাদ গ্রহণ করে। তিনি বলেন, ফল বিক্রেতাদের পরিবেশন অনেক পরিচ্ছন্ন। বহু বছর ধরে সমগ্র থাইল্যান্ডে এভাবে ফল বিক্রি হচ্ছে।

    আরও পড়ুন