২৪শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • ভোলায় কলের লাইসেন্স দেয়ার নামে টাকা পয়সা নিয়ে উল্টো মিথ্যা বন মামলায় জড়িয়ে হয়রানী




  • বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দপ্তরে চলছে অনিয়ন দূর্নীতি

    ভোলায় কলের লাইসেন্স দেয়ার নামে টাকা পয়সা নিয়ে উল্টো মিথ্যা বন মামলায় জড়িয়ে হয়রানী

    এম. মাহাবুবুর রহমান নাজমুল, চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি ।।

    ভোলায় বিভাগীয় বন কর্মকর্তার ছত্র-ছায়ায় থেকে নীরব চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রতারনার ফাঁদে ফেলে করাত কলের লাইসেন্স দেয়ার নামে টাকা পপয়সা হাতিয়ে উল্টো মিথ্যা বন মামলায় জড়িয়ে জনৈক করাত কল মালিক মোঃ শাহে আলমকে অযথা হয়রানী করে আসছে। সেই সঙ্গে উহার প্রতিকার ও প্রতিরোধে মানবাধিকার সংস্থার দেয়া অভিযোগের তদন্ত নিয়ে খোদ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দপ্তরে দূর্নীতি ও অনিয়মের প্রমান মিলেছে সম্প্রতি উপকূলীয় বনোৎপাদন বিভাগ ভোলায় এবং চরফ্যাশন রেঞ্জেই চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে এবং অভিযোগের বিবরনে প্রকাশ প্রকাশ। গত ২০১৭ইং সালের জানুয়ারী মাসের প্রথম দিকে মোঃ শাহে আলমের করাত কলের লাইসেন্স দেয়ার নামে চরফ্যাশন রেঞ্জের তখনকার রেঞ্জ অফিসার মোঃ খলিলুর রহমান ও বাসিরদোন বিট কর্মকর্তা আঃ রাজ্জাকের যোগ-সাজশে ২২,০০০ (বাইশ হাজার) টাকা হাতিয়ে নেয় এবং নানান অজুহাত দেখিয়ে লাইসেন্স পাইতে আরো ৮,০০০ (আট হাজার) টাকা চাঁদা চায়। ইহাতে করাত মালিক অনিহা প্রকাশ করায় উল্টো একটি মিথ্যা বন মামলা ৯৯/২০১৭ জড়ায় তার পরই উক্ত বন কর্মকর্তাগন ও বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ভোলা এর বরাবরে প্রেরণ করা হয়। উহার কোন প্রতি উত্তর না পেয়ে গত ২০/০৬/২০১৯ইং তারিখে পূর্বের ন্যায় আরো একটি পত্র দেয়। তাহাতে গত ০৭/০৭/২০১৯ইং তারিখে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ভোালা কর্তৃক পরর্বী (৭ (সাত) দিনের মধ্যে আবেদন বর্ণিত ঘটনাবলী তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহকারী বন কর্মকর্তা, ভোলা এর দায়িত্বে থাকা মোঃ জামাল উদ্দিন ভূইয়াকে নিয়োগ করেছেন মর্মে জামাল উদ্দিন ভূইয়া মানবাধিকার চরফ্যাশন শাখার সভাপতিকে উহার অনুলিপি দিয়ে অবগত করায়। কিন্তু গত ০৭/০৭/২০১৯ইং তারিখের স্বাক্ষরিত ও ইস্যুকৃত পত্রটির অনুলিপি ঐ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দপ্তরের এহেন নাটকীয়তার মাধ্যমে তদন্তের নামে প্রহসনেয় বহিঃ প্রকাশের পর স্থানীয় মানবাধিকার সংস্তা কর্তৃক আরো একটি আবেদন পাঠায়। তাহাতে তদন্তের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জামাল উদ্দিন কতৃক গত ২৫/০৮/২০১৯ইং তারিখে ২২,০১,০৯০০,৫৫৮,২৮,০০০,১৯-৩৯(৭)নং স্মারক সম্বলিত পত্রে পরবর্তী ১৬/০৯/২০১৯ইং তদন্ত তারিখ ধার্য পূর্বক মানবাধিকার চরফ্যাশন সভাপতিকে পত্র দেয়। কিন্তু আবেদনকারী করাত কল মালিক মোঃ শাহে আলমকে তদন্ত সংক্রান্ত পত্র না দিয়ে তাঁর অনুপস্থিতিতে তদন্তের নামে বাহানা করা হয়।
    বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ভোলা এর বরাবরে প্রেরণ করা হয় উহার কোন প্রতি উত্তর না পেয়ে গত ২০/০৬/২০১৯ইং তারিখে পূর্বের ন্যায় আরো একটি পত্র দেয়। তাহাতে গত ০৭/০৭/২০১৯ইং তারিখে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ভোলা কর্তৃক পরবর্তী ৭(সাত) দিনের মধ্যে আবেদন বর্ণিত ঘটনাবলী তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহকারী বন কর্মকর্তা, ভোলা এর দায়িত্বে থাকা মোঃ জামাল ভূইয়কে নিয়োগ করেছেন মর্মে মানবাধিকার চরফ্যামন শাখার সভাপতিকে উহার অনুলিপি দিয়ে অবগত করায়। কিন্তু গত ০৭/০৭/২০১৯ইং তারিকের স্বাক্ষরিত ও ইস্যুকৃত পত্রটির অনুলিপি ঐ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দপ্তর থেকে ৯ দিন পরে ১৬/০৭/১৯ইং তারিখে প্রেরণ করা হয়। তবে, বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দপ্তরের এহেন নাটকীয়তার মাধ্যমে তদন্তের নামে প্রহসনের বহি:প্রকাশের পর স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা কর্তৃক আরো একটি আবেদন পাঠায়। তাহাতে তদন্তের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জামাল উদ্দিন কর্তৃক গত ২৫/০৮/২০১৯ইং তারিখে ২২.০১.০৯০০.৫৫৮.২৮.০০০.১৯.-৩৭(৭) নং স্মারক সম্বলিত পত্রে পরবর্তী ১৬/০৯/২০১৯ইং তারিখ ধার্য্য পূর্বক মানবাধিকার চরফ্যাশনে সভাপতিকে পত্র দেয়। কিন্তু আবেদনকারী করাত মালিক মোঃ শাহে আলমকে তদন্ত সংক্রান্ত পত্র না দিয়ে তার অনুপস্থিতিতে তদন্তের নামে বাহানা করা হয়। ফলে করাত কল মালিক শাহে আলম এখন বন বিভাগের চক্রান্তের বেড়াজালে আব্ধ হয়ে সীমাহীন হয়রানীর শিকার হয়।
    এ ব্যপারে দৈনিক বরিশাল প্রতিদিন পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত মেসার্স শাহে আলম স্ব-মিলের লাইসেন্স পত্র সরবরাহ না দিয়ে উল্টো মিথ্যা বন মামলায় হয়রানীর মাধ্যমে দুর্নীতিবাজ বন কর্মকর্তাদ্বয় কর্তৃক সৃষ্ট শৃংখলা ভঙ্গের নীরব চাঁদাবাজীর প্রতারণার, দুর্নীতির এবং নানাবিধ অনিয়মের কোনরূপ প্রতিকার ও প্রতিরোধের পদক্ষেপ গ্রহণ না করে উহা ধামা-চাপা দেয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা অপব্যবহারের বহি:প্রকাশ ঘটায়। এ বিষয়ে জানতে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার ফোনে এবং রেঞ্জ অফিসার ও বিট কর্মকর্তার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে উহা রিসিভ না হওয়ায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।
    এ ব্যপারে অভিযুক্তদের কর্তৃক সৃষ্ট জনহয়রানী মূলক এহেন চাঞ্জল্যকর ঘটনার প্রতিকার ও প্রতিরোধে এবং দায়ী কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা সহ মেসার্স শাহে আলম স্ব-মিল নামীয় করাত কলের লাইসেন্স সরবরাহ পাইতে সংশ্লিষ্ট বন মন্ত্রণালয়ের সচিব সহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সমূহের এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

    Print Friendly, PDF & Email

    আরও পড়ুন