২৪শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
পৌর নির্বাচন ও দলীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে সিঙ্গাইর উপজেলা আ.লীগের বর্ধিত সভা গৃহকর্মীকে ধর্ষণের পর সাততলা থেকে ফেলে দেওয়া হয় ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঢাকা মহানগর উত্তর আ.লীগের অর্থ সম্পাদক হলেন শিল্পপতি সালাম চৌধুরী টিউশন ফি ছাড়া অন্য খাতে অর্থ নিতে পারবে না স্কুল-কলেজ লেবানন কেন্দ্রীয় আ’লীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সত্যি হলো আসিফ নজরুলের ভবিষ্যত বানী, বাইডেন ৩০৬ ও ট্রাম্প ২৩২ সিঙ্গাইরে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষে নারী উন্নয়ন সংস্থার সংবাদ সম্মেলন ফ্রান্সে মহানবীর (সা) ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন: প্রতিবাদে তারাকান্দায় মিছিল সমাবেশ বাসে আগুন, বিএনপির ৪৪৬ নেতাকর্মীর নামে ৯ মামলা,আটক ২০
  • প্রচ্ছদ
  • মনে হচ্ছে করোনাভাইরাসটাই সবচেয়ে শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী




  • মনে হচ্ছে করোনাভাইরাসটাই সবচেয়ে শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাইল ছবি

    করোনাভাইরাসের কাছে বিশ্বের শক্তিধর দেশের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের কাছে বিশ্বের যে যতই শক্তিধর হোক, যতই অর্থশালী হোক, অস্ত্রে শক্তিশালী হোক— কোনও শক্তি কাজে লাগছে না। মনে হচ্ছে করোনাভাইরাসটাই সবচেয়ে শক্তিশালী। আর প্রকৃতি যেন তার প্রতিশোধ নিচ্ছে। এমন একটা বিষয় আমার কাছে মনে হয়।’

    বুধবার জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য (ঢাকা-৫) হাবিবুর রহমান মোল্লা এবং আট প্রাক্তন সংসদ সদস্য ও প্রাক্তন গণপরিষদ সদস্যসহ একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তির মৃত্যুতে শোক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    নিজের জীবন নিয়ে কোনও চিন্তা করেন না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জন্ম যখন হয়েছে মরতেই হবে। তাই গুলি খেয়ে মরি, বোমা খেয়ে মরি, করোনাভাইরাসে মরি, অসুস্থ হয়ে মরি- এখন কথা বলতে বলতেও মরে যেতে পারি। মৃত্যু যখন অবধারিত, তখন মৃত্যুকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি ভয় কখনও পাইনি, পাব না। আল্লাহ জীবন দিয়েছেন, জীবন আল্লাহ একদিন নিয়ে যাবেন, এটাই আমি বিশ্বাস করি। মানুষকে কিছু কাজ দেয়, সেই কাজটুকু করতে হবে। আল্লাহর লিখিত আমার ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন, যতক্ষণ এই কাজটুকু শেষ না হবে ততক্ষণ কাজ করে যাব। কাজ শেষে আমিও চলে যাব। এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। আমি এখানে বেঁচে থাকার জন্য আসিনি। জীবনটা বাংলার মানুষের জন্য বিলিয়ে দিতে এসেছি। এখানে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ভয়ের কী আছে?’

    বিরোধী দলের চিফ হুইপ মো. মশিউর রহমান রাঙ্গার এক পরামর্শের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আলোচনায় যোগ দিয়ে রাঙ্গা পরামর্শ দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে তাঁর সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে নিজের বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পার্লামেন্টের অধিবেশনে যোগ দিতে পারেন।

    করোনাভাইরাস মোকাবিলার পাশাপাশি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য যা যা করণীয়, তা করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একদিকে যেমন করোনা মোকাবিলা করব; পাশাপাশি দেশে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন যাতে চলে, মানুষ যেন কষ্ট না পায়, তার জন্য যা যা করণীয় আমি করে যাব।’

    করোনাভাইরাসের কারণে মানুষের মধ্যে একটি আতঙ্ক বিরাজ করছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের কারণে সবকিছুতে একটা অচলাবস্থা চলছে। পাশাপাশি মৃত্যু এসে হানা দিচ্ছে। অবশ্য এখানে সুস্থতার সংখ্যা অনেক বেশি। তারপরেও মানুষের ভেতর কেমন একটা আতঙ্ক বিরাজমান।’

    করোনাভাইরাসের কারণে সমাজের অনেকেই মৃত্যুবরণ করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের প্রশাসন যেভাবে ওটা বন্ধ হয় কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, রাজনৈতিক কর্মী, আনসার, ভিডিপি, বিজিবি, সাংবাদিক প্রত্যেকে প্রতিনিয়ত জনগণের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। এদের মধ্যে অনেকেই মৃত্যুবরণ করেছেন। যারা মারা গেছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।’

    করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে বিশ্বের অনেক দেশ সংসদে বাজেট দিতে না পারলেও বাংলাদেশ তা দিচ্ছে বলেও তিনি এ সময় উল্লেখ করেন।

    আরও পড়ুন