৩০শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • মানিকগঞ্জে করোনার উপসর্গ নিয়ে অজ্ঞাতনামা নারীর মৃত্যু




  • মানিকগঞ্জে করোনার উপসর্গ নিয়ে অজ্ঞাতনামা নারীর মৃত্যু

    মানিকগগঞ্জ প্রতিনিধি:
    মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬০ বছরের এক অজ্ঞাত নারী মারা গেছেন। আজ বুধবার (১৭ জুন) সকাল সোয়া সাতটার দিকে তিনি মারা যান। হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরশ্বাদ উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ জুন এক ব্যক্তি ওই অজ্ঞাত নারীকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের পর কোভিড-১৯ ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। চিকিৎসক ও নার্সরা যথাযথভাবে তার সেবা দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে সকালে তিনি মারা যান। গত ৬ তারিখে হাসপাতালে ভর্তি করার পর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কেউ তাকে দেখতে আসেননি। ভর্তির সময় তার স্বামীর নাম ইকবাল হোসেন লেখা হয়। তার সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য যে মোবাইল ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছিল সেটি সুমন মোল্লা নামের এক ব্যক্তির। তিনি সিংগাইর উপজেলার বিন্যাডাঙ্গি বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা।

    সুমন মোল্লা ওই নারীকে স্থানীয় বিন্যাডাঙ্গি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায় ৩ দিন অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশের সহায়তায় ৬ জুন তাকে প্রথমে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে গোলাইডাঙ্গা স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং সেখান থেকে দিনশেষে রাত ২টার দিকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কিনা তা এখনও জানা যায়নি। গত শুক্রবার (১২ জুন) তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য সাভারে অবস্থিত প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটে প্রেরণ করা হয়েছে। কিন্তু ৫দিন অতিবাহিত হলেও এখনও সেই রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।

    এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ারুল আমিন আখন্দ জানান, মানিকগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য সাভার প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটে পাঠানো হয়। প্রতিদিনই শতাধিক নমুনা পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু, গত ৫ দিন ধরে কোন রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে না। সর্বশেষ ১২ জুন নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। নমুনা পরীক্ষার যন্ত্র বিকল হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।

    সর্বশেষ ১২ জুন প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জেলায় মোট শনাক্তের সংখ্যা হলো ৪০৪ জন। এর মধ্যে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ১১২ জন, সিংগাইর ও সাটুরিয়া উপজেলায় রয়েছেন ৮১ জন করে, ঘিওর উপজেলায় রয়েছেন ৫৫ জন, হরিরামপুর উপজেলায় ৩৩, শিবালয় উপজেলায় ২৭ জন ও দৌলতপুর উপজেলায় রয়েছেন ১১ জন।

    আরও পড়ুন