২৪শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • ২৪ ঘন্টায় মানিকগঞ্জে ৮ জনের করোনা সনাক্ত, এক নারীর মৃত্যু




  • ২৪ ঘন্টায় মানিকগঞ্জে ৮ জনের করোনা সনাক্ত, এক নারীর মৃত্যু

    মোবারক হোসেন:

    মানিকগঞ্জ জেলায় ১ দিনে (গত ২৪ ঘণ্টায়) সর্বোচ্চ ৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় ৪০ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলেন। এছাড়া জেলার হরিরামপুর উপজেলার করোনায় আক্রান্ত এক নারী ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (১৬ মে) দুপুরে মারা গেছেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন আনোয়ারুল আমিন আখন্দ।

    জেলা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নতুন করে আক্রান্ত আটজন নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেকের বাড়ি লকডাউন করা হবে এবং তাঁদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা করা হবে। জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সামাজিক দূরত্ব না মানায় সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে। করোনার বিস্তার ঠেকাতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলারও পরামর্শ দেন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

    সিভিল সার্জন আনোয়ারুল আমিন জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১১৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউশনে পাঠানো হয়। এর মধ্যে আটজনের করোনা পজিটিভ এসেছে। এটি এ পর্যন্ত জেলায় এক দিনে সর্বোচ্চ করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। নতুন শনাক্ত আটজনের মধ্যে রয়েছেন সাটুরিয়ায় উপজেলায় চারজন ও ঘিওরে চারজন। সাটুরিয়ায় আক্রান্ত সবাই পুরুষ এবং ঘিওরে তিনজন পুরুষ ও একজন নারী।

    এছাড়া গত বৃহস্পতিবার জেলায় সাতজন করোনা রোগী শনাক্ত হন। এখন পর্যন্ত মোট ৪০ জনের করোনা শনাক্ত হলো। তাঁদের মধ্যে ৮ জন চিকিৎসক ও ১০ জন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১ হাজার ৩২৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ১ হাজার ২০০ জনের ফল পাওয়া গেছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ২১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    এদিকে জেলার হরিরামপুর উপজেলার করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৪৮ বছর বয়সী এক নারী ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (১৬ মে) দুপুরে মারা গেছেন। এই প্রথম জেলায় করোনায় আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু মারা গেলেন। ওই নারীর স্বামীর বাড়ি উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নে।

    উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, ৮ মে শ্বাসকষ্টসহ শারীরিক সমস্যার কারণে ওই নারীকে ঢাকায় ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনেরা। এরপর করোনা পরীক্ষার জন্য সেখানে তাঁর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরের দিন পরীক্ষায় তাঁর করোনা পজিটিভ আসে। এ ঘটনায় গত রবিবার (১০ মে) ওই নারী ও তাঁর চার প্রতিবেশীর পাঁচটি বাড়ি লকডাউন এবং পরিবারের সদস্যদের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। ওই দিনই আক্রান্ত নারীর পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। বুধবার (১৩ মে) পরীক্ষায় তাঁদের সবার করোনা নেগেটিভ আসে।

    Print Friendly, PDF & Email

    আরও পড়ুন