২৯শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
পুলিশ বাহিনীকে দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত করার পদক্ষেপ সিঙ্গাইরে সাত মামলার পলাতক আসামি ডাকাত রিয়াজুল গ্রেফতার এক দিনে ৪৭ মামলার রায়, হাসিমুখে বাড়ি ফিরলেন ৪৬ দম্পতি নোয়াখালী জেলা রোভারের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ পরশ ও যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের ভার্চুয়াল সভা পৌর নির্বাচন ও দলীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে সিঙ্গাইর উপজেলা আ.লীগের বর্ধিত সভা গৃহকর্মীকে ধর্ষণের পর সাততলা থেকে ফেলে দেওয়া হয় ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঢাকা মহানগর উত্তর আ.লীগের অর্থ সম্পাদক হলেন শিল্পপতি সালাম চৌধুরী টিউশন ফি ছাড়া অন্য খাতে অর্থ নিতে পারবে না স্কুল-কলেজ
  • প্রচ্ছদ
  • মিথ্যা মামলায় সীমাহীন হয়রানীর শিকার ইসমাইল ও তাঁর পরিবার




  • ধর্ষিতা মঞ্জুরার গর্ভের বাঁচ্চাটি দুলাভাই ইউছুফের!

    মিথ্যা মামলায় সীমাহীন হয়রানীর শিকার ইসমাইল ও তাঁর পরিবার

    এম. মাহাবুবুর রহমান নাজমুল, চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি ।।

    অপ্রিয় হলেও সত্য যে, বেপরােয়া স্বভাবের চরিত্রহীনা মক্ষীরানী যুবতী কন্যা ধর্ষিতা মহুজুরা বেগম (মুন্নী) (১৯) এর গর্ভের সন্তানটি তাঁর দুলাভাই মোঃ ইউছুফের ঔরষের বলে স্থানীয় জনমনে গুনজন উঠেছে। পক্ষান্তরে ঐ এলাকার নিরীহ যুবক মোঃ ইসমাইল ও তার মা-বাবা এবং ভাইয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষিতা মহ্জুরা বাদী হয়ে পৃথক দুটি মিথ্যা মামলা দিয়ে অযথা সীমাহীন হয়রানী করে আসছে। সম্প্রতি ভােলায় চরফ্যাশন উপজেলায় চর মাদ্রাজ ইউনিয়নের অন্তর্গত চর আফজাল এমের ২ নং ওয়ার্ডে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে।
    স্থানীয় সূত্রে এবং ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, উপজেলার চর আফজাল গ্রামের মৃত হারেছ মাঝির যুবতী কন্যা মঞ্জুরা। বেগম ( মুহা), দীর্ঘ দিন ধরে ভগ্নিপতি ইউছুফের ছত্রছায়ায় থেকে বেপরােয়া ভাবে চলা-ফেরার মাধ্যমে অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে দৈহিক মেলামেশায় লিপ্ত থাকতো। ফলে শ্যালিকা মঞ্জুরা অন্তঃসত্ত¡া হয়ে পড়লে গর্ভপাত ঘটাতো। এ ভাবে গোপনে গোপনে শ্যালিকা দুলাভাইয়ের অনৈতিক কর্মকান্ড চলে আসতো। তারই ধারাবাহিকতায় মঞ্জুরা আবারো অন্তস্বত্ত¡া হয়ে পড়ায় এবার গর্ভপাত ঘটাতে না পারায় মায়ের কাছে নিজ বাড়ীতে চলে যায়। তখনই আশপাশের লোকজনের মধ্যে কিছুটা কানাঘুষা শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুর্নীতিবাজ একটি মহলের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে তাদের অশুভ ইঙ্গিতে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে প্রতিবেশী যুবক মোঃ ইসমাইলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ রটায় এবং গত ২৬-০৮২০১৯ইং তারিখে ভোলার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দেয়। আদালতের নির্দেশে উহা চরফ্যাশন থানায় এজাহার হয়। ইহাতে ইসমাইলকে কোন প্রকার দূর্বল করতে না পেরে তার ক’দিন পরে মঞ্জুরা কর্তৃক ইসমাইল সহ তাঁর মা-বাবা ও ভাই কে জড়িয়ে খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ চেষ্টায় আরো একটি মিথ্যা মামলা জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে দায়ের হলে ঘটনাটি তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ওসি চরফ্যাশনকে নির্দেশ দেয়।
    বর্তমানে মঞ্জুরীর মামলা দু’টি চরফ্যাশন থানা পুলিশের কাছে তদন্তাধীন থাকাবস্থায় স্থানীয় জনমনে প্রকাশ পায় যে, ধর্ষিতা মঞ্জুরার গর্ভের বাচ্চাটি তাঁর দুলাভাই ইউছুফের বলে এলাকাবাসীর মধ্যে জানাজানি হয়ে যায়। তখন নির্দোষ ও নিরপরাধ ইসমাইল দরখাস্তকারী হয়ে মঞ্জুরা সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ভােলার পুলিশ সুপার বরাবরে এজাহার বিষয়ে একটি অভিযোগ দেয়। এবং ইসমাইলের পিতা মোঃ হারুন খাঁ বাদী হয়ে মঞ্জুরা ও তার ভগ্নিপতি, মা ভাই সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চরফ্যাশন জুডিঃ ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে সি.আর ৪৬২/২০১৯ দঃ বিঃ আইনেরঃ ১৪৩/৩২৩/৪২৭/৩৪২/৩৮৫/৩৮৭/৩৭৯/৩০৭/৫০৬/১০৯ ধারায় একটি অভিযোগ দায়ের করিলে বিজ্ঞ বিচারক উহা শুনানী শেষে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ওসি চরফ্যাশন থানাকে নির্দেশ দেয়। ইহাতে ধর্ষিতা মঞ্জুরার ও নির্দোষ দাবীকারী ইসমাইল ও তার পিতার দুটি করে পাল্টাপাল্টি মামলা হয়।
    গত ২৭ অক্টোবর ২০১৯ রাতে ইসলাম স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরদিন ২৮ অক্টোবর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। এদিকে মঞ্জুরা এ ঘটনায় স্থানীয় জনমনে গুঞ্জন উঠেছে। ধর্ষিতা মঞ্জুরার গর্ভে বাচ্চাটি যখন দুলাভাই ইউসুফের, তখন অন্যায়ভাবে মঞ্জুরা কর্তৃক মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ইসলাম ও তার বাবা মা এবং ভাইকে অযথা সীমাহীন হয়রানি করে আসছে। চরফ্যাশন থানায় অফিসার ইনচার্জ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন আমরা তাকে জনতার সহায়তায় গ্রেফতার করে বিধি মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করেছি। এ ব্যপারে হয়রানির শিকার ইসলাম ও তার পরিবার সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী করছে।

    আরও পড়ুন