২৪শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে ছাত্রলীগ সভাপতির ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়




  • মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে ছাত্রলীগ সভাপতির ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

    প‌বিত্র ঈদুল ফিতর উপল‌ক্ষে দুস্থ গ‌রিব‌দের মা‌ঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। মঙ্গলবার কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে নিজ বাসভবনে এই ঈদ উপহার বিতরণ করেন তিনি।

    এসময় তিনি বলেন, আমি আপনাদেরই সন্তান। ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে নয়, আপনাদের সন্তান হিসেবে আপনাদের সঙ্গে ঈদের খুশি ভাগ করে নিতে এসেছি। আপনাদের সুখে-দুখে পাশে আছি পাশে থাকবো। আপনাদের যেকোন বিপদ-আপদে আমাকে আপনাদের পাশে পাবেন।

    ঈদ উপহার বিতরণকালে তিনি বলেন, আমার দাদা শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে রাজনীতি করেছেন। আমার বাবা উপজেলা আওয়ামী লীগের দু’বারের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। আমি তাদের উত্তরসূরি হিসেবে আপনাদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।

    পরে তিনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কার্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন।

    এসময় তিনি বলেন, আমার দাদা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি বেচে থাকলে আপনাদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতেন। আমি তার প্রতিনিধি হিসেবে আপনাদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগ করে নিতে এসেছি। আমি আপনাদেরই প্রজন্ম, আপনাদের সঙ্গে ঈদের উপহার ভাগ করে নিতে পেরে আমি আনন্দিত। আপনাদের যেকোন বিষয়ে পাশে থাকতে পারলে আমি ভাগ্যবান বোধ করব।

    প্রসঙ্গত, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী পরিবারের সন্তান শোভন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মেধাবী ছাত্র। তিনি আইন বিভাগ থেকে সদ্য মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। সদ্য বিদায়ী ছাত্রলীগের কমিটির কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ছিলেন।

    শোভনের দাদা মরহুম শামসুল হক চৌধুরী বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক (৬নং সেক্টর এর প্রচার বিভাগের চেয়ারম্যান), কুড়িগ্রাম-১ আসনের আওয়ামী লীগের এমপি ১৯৭৩ ও ১৯৭৯। ১৯৭৫ পরবর্তী ১৯৭৭ সালে দেশ ও দলের ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীকে জাতীয় নির্বাচন করেন।

    শোভনের বাবা, যিনি ১৯৮১ সালে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ১৯৯১ সালে থানা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন । ২০০১ সালে থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (২০০১-২০১০) ও ২০১১ সালে পুনঃরায় থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (২০১১-অদ্যাবদি)। এর পাশাপাশি তিনি নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান।

    Print Friendly, PDF & Email

    আরও পড়ুন