২৫শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে সিঙ্গাইর উপজেলা প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণ করলেন মানিকগঞ্জ নবাগত জেলা প্রশাসক আব্দুল লতিফ করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ডেল্টা প্লাস’নিয়ে কেন এত শঙ্কা গোটা বিশ্বের? রাশিয়াকে উড়িয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করলো ডেনমার্ক সিঙ্গাইরে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, নগদ এজেন্ট মালিককে অর্থদণ্ড প্রথম দিনে নাম নিবন্ধন করেছে ১৯৪জন পাসপোর্ট নাম্বার বিহীন লেবানন প্রবাসী সিঙ্গাইরে ট্রাকচাঁপায় মটরসাইকেল চালকের মৃত্যু একদিন নয়, প্রতিদিন হোক বাবা দিবস ব্র্যাকের মানবিধকার ও আইন সচেতনতা বিষয়ক মতনিময় সভা পরীমনির বাসা যেন মদের বার, প্রতিদিনই বসে আসর

লেবাননের লকডউনের মেয়াদ বৃদ্ধি, উদ্বেগে প্রবাসীরা

জনশক্তি রিপোর্ট:

লেবাননে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। আজ (২১ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী হাসান ডিয়াব ও রাষ্ট্রপতি মিশেল আউনের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। করোনা সংক্রামণ বৃদ্ধি ও জন নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

গত ৭ জানুয়ারি থেকে লকডাউন দিয়ে নাইট কারফিউ ঘোষণা করে লেবানন সরকার। সংক্রামণ বৃদ্ধি পেতে থাকলে ১৫ জানুয়ারি থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ২৪ ঘন্ট কারফিউ জারি করা হয়। এরপরও করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ নিয়ন্ত্রনে না আসায় আজ বৃহস্পতিবার সরকার আরো দুই সপ্তাহের ২৪ ঘন্টা কারফিউ বৃদ্ধির ঘোষণা দেয়।

এদিনে লকডাউন বৃদ্ধির খবরে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে বাংলাদেশ কমিউনিটিতে। একদিকে লেবাননের অর্থনৈতিক সংকটের বিশাল প্রভাবে আয় কমে যাওয়ায় ঘর ভাড়া আর খেয়েপুরে বেচে থাকার সংগ্রামে প্রবাসীরা। অন্যদিকে করোনার প্রাদূর্ভাবে দফায় দফায় লকডাউন। লেবাননে অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে বেকার জীবন কাটাচ্ছে হাজারো প্রবাসী, অনেকে লকডাউনের কারণে কাজ বন্ধ হয়ে ঘরে বসে রয়েছে। লকডাউনে কারণে যাদের কাজ বন্ধ তাদের বেতন দিচ্ছেনা মালিক পক্ষ। আবার যারা নাম নিবন্ধ করেছে, তাদের দেশে ফিরতে বিরম্ব হচ্ছে এই লকডাউনের কারণে। সব মিলিয়ে অস্থির প্রবাসীরা।

রাশেদ হসান নামে এক বাংলাদেশী প্রবাসী জানান, এমনিতেই লেবাননে কোন রকম খেয়েদেয়ে বেঁচে আছি, এরমধ্যে লকডউনে কাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে। কাজ না করলে মালিক আমাদের বেতন দেয়না। এখন শুনছি ফের লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি হয়েছে। তাহলে আমাদের উপায় কি।

আলমগীর কবির নামে এক প্রবাসী জানান, এই করফিউ চলতে থাকলে আমরা চলব কিভাবে, খাব কি? ডিওটি না করলে তো বেতন পাইনা।

লেবানন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান আহবায়ক কমিটির যুগ্ন আহবায়ক সদস্য বাবুল মুন্সি জানান, এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশী প্রবাসীরা আসলেই খরাপ পরিস্থিতি রয়েছে। কিন্তু কিছু করার তো নেই। করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ যেভাবে বেড়ে চলেছে তা আসলেই চিন্তার বিষয়। নিয়ন্ত্রনে না আসলে শুধু লেবানিজরা নয়, ক্ষতিগ্রস্থ হবে বাংলদেশীরাও।

তিনি আরো বলেন, এপর্যন্ত প্রায় এক হাজার বাংলাদেশী আক্রান্ত হয়েছে, ৭ জন মারাও গিয়েছে। আমাদের কষ্ট হলেও সরকারের লকডাউনের সিদ্ধান্ত মেনে নিতেই হবে।

বাবুল মুন্সি প্রবাসীদের সতর্ক হয়ে চলার অনুরোধ করেন।

আরও পড়ুন