২৮শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • লেবাননে জাতির জনকের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রঙ্কন প্রতিযোগীতা ও আলোচোনা সভা




  • লেবাননে জাতির জনকের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রঙ্কন প্রতিযোগীতা ও আলোচোনা সভা

    মিলন মিয়া, লেবানন: সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকি ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে লেবাননে বসবাররত প্রবাসী বাংলাদেশী শিশুদের নিয়ে চিত্রঙ্কন প্রতিযোগীতা, প্রামাণ্যচিত্র পদর্শন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচোনা সভার আয়োজন করে লেবানের বাংলাদেশ দূতাবাস।

    চিত্রঙ্কন প্রতিযোগীতায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের অন্তত ১২জন শিশু অংশ গ্রহন করেন।

    প্রতিযোগীতা চলাকালীন স্থানটি পরিদর্শন করেন, লেবাননে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকার। দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দও সে সময় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ সহ শিশুদের অভিবাবক গন উপস্থিত ছিলেন।

    বঙ্গবন্ধর জীবনী নিয়ে প্রামান্যচিত্র পদর্শন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আলোচোনা সভা শুরু করা হয় ও বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    লেবাননে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত আবদুল মোতালেব সরকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ থেকে প্রেরিত রাষ্ট্রপ্রতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী বাণী পাঠ করে শুনান যথাক্রমে দূতাবাসের প্রথম সচিব আবদুল্লাহ আল মামুন, তৃতীয় সচিব আব্দুল্লাহ আল সাফি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল হোসেন, সহকারী কন্সুলার তানিয়া ‌আক্তার।

    বঙ্গবন্ধর জীবনীর তাৎপর্যের উপরে আলোচনা করে বক্তব্য রাখেন, মান্যবর রাষ্ট্রদূত আবদুল মোতালেব সরকার। কমিউনিটি নেতা আবুল বাশার প্রধান, শামিম আহমেদ, আলমগীর ইসলাম, মশিউর রহমান টিটু সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    পরিষেশে সকল প্রতিযোগী শিশুদের হাতে শান্তনা পূরষ্কার ও সনদ তুলে দেন মান্যবর রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকার।

    এ সময় তিনি সকল অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিশুদের ১ থেকে ৫ বছর বয়সে মানসিক বিকাশ ঘটার সবচাইতে উপযুক্ত সময় এ সময় শিশুদের সুসম খাদ্য পরিবেশন ও বাড়তি যত্ন নেয়ার পরামর্শ দেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন করা একটি উপযুক্ত সময় কারণ বঙ্গবন্ধু শিশুদের গভীরভাবে ভালোবাসতেন।

    রাষ্ট্রদূত বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে সকলকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

    জনশক্তি/এডি/জসিম

    Print Friendly, PDF & Email

    আরও পড়ুন