১৭ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শান্ত’র ওজন ২৩ মণ, দাম ৯ লাখ!

জনশক্তি ডেস্ক:

প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে খামারের অন্যান্য গরুর সাথে পরম আদর যত্নে বড় হয়েছে শান্ত। কোরবানী ঈদের জন্য ষাঁড়টিকে প্রস্তুত করেছেন মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার আটিগ্রাম এলাকার খামারি নুরুল সরদার। প্রাকৃতিক পরিবেশে বড় হওয়া শান্ত’র ওজন এখন প্রায় ২৩ মণ। আশানুরুপ দাম না পাওয়ায় গেলো কোরাবানী ঈদে শান্ত’কে বিক্রি করেনি খামারি। এবারের ঈদে শান্ত’কে বিক্রির জন্য দাম হাকাচ্ছেন ৯ থেকে ১০ লাখ টাকা। তবে আলোচনা সাপেক্ষে দরদাম আরও কিছু কমতে পারে বলে জানান খামারি নুরুল সরদার।

খামারি নুরুল সরদারের ছেলের বউ বলেন, গৃহস্থলি কাজের পাশাপাশি শান্ত’র নিয়মিত দেখভাল করেন তিনি। নিজেরা ষাঁড়টির কোন নামকরন না করলেও প্রতিবেশীদের দেওয়া নামেই শান্ত বলে ডাকেন ষাঁড়টিকে। প্রকৃতপক্ষেও খুব শান্ত স্বভাবের ষাঁড়টি। এভাবের ঈদে শান্ত’র ন্যায্য বাজারদর না পেলে লোকসানে পড়তে হবে বলে জানান তিনি। খামারি নুরুল সরদারের স্ত্রী বলেন, নিজেদের বাড়ির গাভি থেকে সাড়ে তিন বছর আগে জন্ম নেয় শান্ত। এরপর থেকে তাদের খামারেই পরম আদর যত্নে বড় হয়েছে। ষাঁড়টিকে বাড়ি থেকে ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারলে বেশ উপকৃত হবে বলেও মন্তব্য করেন। প্রয়োজনে (০১৭৬৬ ৫৩৪২০০) যোগাযোগের আহ্বান জানান তিনি।

শান্ত’কে দেখতে স্থানীয় যুবক আমিনুর রহমান বলেন, শান্ত’কে এক নজরে দেখার জন্য প্রতিদিনই ভির জমান আশেপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশে বড় এই ষাঁড়টি দেখে খামারি নুরুল সরদারের প্রসংশা করেন সবাই। ন্যায্য বাজারদর পেলে নুরুল সরদারকে দেখে অনেকেই বড় গরু পালনে এগিয়ে আসেব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

স্থানীয় কৃত্রিম প্রজনন টেকনেশিয়ান নিখিল চন্দ্র মন্ডল বলেন, ঘাস, কুড়া, ভূষি এবং খড় খেয়ে বড় হয়েছে ষাঁড়টি। ওজনে প্রায় ২৩ মণ। কোরবানীর জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। মানিকগঞ্জ সদর প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা নিয়মিত সাঁড়টির খোঁজ খবর নেন বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন