২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
মিথ্যা মামলায় পুলিশ সদস্যকে হয়রানির অভিযোগ রাস্তার মুখে উঁচু দেয়াল, অবরুদ্ধ একটি মুসলিম পরিবার সিঙ্গাইরে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা সিঙ্গাইরে ইউপি নির্বাচনে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিঠু গ্রেফতার সিঙ্গাইরে ১১ ইউপিতে ৪৬ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল পাবজি খেলা নিয়ে দ্বন্দ্ব, সিঙ্গাইরে বন্ধুর হাতে প্রাণ গেল কিশোরের স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র ছিনতাইয়ের অভিযোগে আ.লীগ প্রার্থীর ছেলে আটক সিঙ্গাইরে শিশু বলাৎকার মামলার প্রধান আসামী মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার লেবাননে ফের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, প্রবাসীদের উপচেপড়া ভির লেবানন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

সিংগাইরে সর্বোচ্চ দামে কেজিদরে তরমুজ বিক্রি

আমিনুর রহমান, সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ)

রসালো ফল তরমুজ বর্তমানে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যাবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম হাকিয়ে তরমুজ বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতা ও জনসাধারণ। নিম্ন আয়ের মানুষের এ বছরের তরমুজের স্বাদ নিতে খুবই হিমশিম খাচ্ছেন বলে জানা যায়। রমজান মাস এলেই প্রতিটা রোজাদারের পরিবারে ইফতার থাকে তরমুজসহ হরেক রকমের মৌসুমী ফলের সমাহার। কিন্ত সেই তরমুজের দাম এবার আকাশ ছোয়া। তবে দাম বৃদ্ধির কারনে অনেক রোজাদার ও নিম্ন আয়ের মানুষ আজও তরমুজের স্বাদ নিতে পারেননি।

গত বছর সিংগাইরে তরমুজের ছড়াছড়ি এবং পিচ হিসেবে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কিন্তু এবার চিত্রটা সম্পূর্ণ আলাদা। চলতি মৌসুমে বাজারে পর্যাপ্ত তরমুজের দেখা গেলেও এ বছর তরমুজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে এবং তাও কেজিপ্রতি আবার ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। সরজমিনে সিংগাইর, সাহরাইল, জয়মন্টপ, মানিকনগর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করতে। অনেক ক্রেতা এসে বিক্রেতার সাথে দাম নিয়ে রীতিমতো বিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন।

অটোচালক রিপন,সালাম, জহরউদ্দিন, জসীম সহ আরও অনেকেই বলেন, লকডাউন চলছে। ভয় নিয়ে সড়কে আসি, দিন শেষে যা আয় হচ্ছে কোনো রকমে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে আছি। এই রোজগারে এ বছর তরমুজ খাওয়া সম্ভব হবে না।

মানুষের প্রশ্ন তরমুজ কেজিতে বিক্রি হওয়ার কারন কি? যে তরমুজ গত বছরও মানুষ পিচ হিসেবে কিনেছে, সেই তরমুজ এ বছর কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে কেজিতে যদি ১৫/২০ টাকা হতো তাহলে সাধ্যের মধ্যে থাকতো ; অথচ ৫০/৬০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হতে দেখা গেছে। ভোক্তাদের প্রশ্ন এই টাকা কি প্রকৃতপক্ষে ওই চাষি, যে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তরমুজ উৎপাদন করেছে তার পকেটে যাচ্ছে নাকি অন্য কারও পকেটে? কৃষকের তরমুজের ক্ষেত থেকে শুরু করে বাজারে বিক্রেতা পর্যন্ত যারা ভোক্তার পকেট খালি করে চলেছে তাদের খুজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বাজারের কয়েকজন খুচরা ব্যবসায়ী জানান, বড় ব্যবসায়ীরা তরমুজ পাইকারী বাজার হতে শ’ হিসেবে কিনে তা কেজিতে বিক্রি করছেন। আমরাও কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। বাজার মনিটরিং করলে কেজি কাহিনী উন্মোচন হবে বলে তারা মনে করছেন।

আরও পড়ুন