২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
অটোরিকশা চালকদের খাদ্যসামগ্রী দিয়ে প্রশংসিত ওসি সিঙ্গাইর পৌর এলাকায় ন্যায্য মুল্যে ওএমএস’র চাল ও আটা বিক্রি শুরু লকডাউনে সিঙ্গাইরে কারখানা খোলা রাখায় পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের দায়ে সিঙ্গাইরে ৫১ জনকে ৫৬৪০০ টাকা জরিমানা এবার ঈদে কোরবানি হয়েছে ৯৭ লাখ পশু, অবিক্রীত ২৮ লাখ ডিসির মহানুভবতা: দণ্ডের পরিবর্তে খাদ্যসামগ্রী পেল অটোরিকশা চালকরা লেবাননে বাংলাদেশী প্রবাসীদের ঈদ আনন্দ মেলা আনন্দঘন পরিবেশে আজকের তরুণ কণ্ঠ’ র বর্ষপূর্তি উদযাপন সিঙ্গাইরে চালককে জবাই করে অটোরিকশা ছিনতাই, গাড়িসহ তিনজন গ্রেফতার বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ সম্প্রীতির মানিকগঞ্জ ফেসবুক গ্রুপের

সিংগাইরে সর্বোচ্চ দামে কেজিদরে তরমুজ বিক্রি

আমিনুর রহমান, সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ)

আমিনুর রহমান, সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ)

রসালো ফল তরমুজ বর্তমানে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যাবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম হাকিয়ে তরমুজ বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতা ও জনসাধারণ। নিম্ন আয়ের মানুষের এ বছরের তরমুজের স্বাদ নিতে খুবই হিমশিম খাচ্ছেন বলে জানা যায়। রমজান মাস এলেই প্রতিটা রোজাদারের পরিবারে ইফতার থাকে তরমুজসহ হরেক রকমের মৌসুমী ফলের সমাহার। কিন্ত সেই তরমুজের দাম এবার আকাশ ছোয়া। তবে দাম বৃদ্ধির কারনে অনেক রোজাদার ও নিম্ন আয়ের মানুষ আজও তরমুজের স্বাদ নিতে পারেননি।

গত বছর সিংগাইরে তরমুজের ছড়াছড়ি এবং পিচ হিসেবে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কিন্তু এবার চিত্রটা সম্পূর্ণ আলাদা। চলতি মৌসুমে বাজারে পর্যাপ্ত তরমুজের দেখা গেলেও এ বছর তরমুজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে এবং তাও কেজিপ্রতি আবার ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। সরজমিনে সিংগাইর, সাহরাইল, জয়মন্টপ, মানিকনগর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করতে। অনেক ক্রেতা এসে বিক্রেতার সাথে দাম নিয়ে রীতিমতো বিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন।

অটোচালক রিপন,সালাম, জহরউদ্দিন, জসীম সহ আরও অনেকেই বলেন, লকডাউন চলছে। ভয় নিয়ে সড়কে আসি, দিন শেষে যা আয় হচ্ছে কোনো রকমে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে আছি। এই রোজগারে এ বছর তরমুজ খাওয়া সম্ভব হবে না।

মানুষের প্রশ্ন তরমুজ কেজিতে বিক্রি হওয়ার কারন কি? যে তরমুজ গত বছরও মানুষ পিচ হিসেবে কিনেছে, সেই তরমুজ এ বছর কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে কেজিতে যদি ১৫/২০ টাকা হতো তাহলে সাধ্যের মধ্যে থাকতো ; অথচ ৫০/৬০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হতে দেখা গেছে। ভোক্তাদের প্রশ্ন এই টাকা কি প্রকৃতপক্ষে ওই চাষি, যে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তরমুজ উৎপাদন করেছে তার পকেটে যাচ্ছে নাকি অন্য কারও পকেটে? কৃষকের তরমুজের ক্ষেত থেকে শুরু করে বাজারে বিক্রেতা পর্যন্ত যারা ভোক্তার পকেট খালি করে চলেছে তাদের খুজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বাজারের কয়েকজন খুচরা ব্যবসায়ী জানান, বড় ব্যবসায়ীরা তরমুজ পাইকারী বাজার হতে শ’ হিসেবে কিনে তা কেজিতে বিক্রি করছেন। আমরাও কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। বাজার মনিটরিং করলে কেজি কাহিনী উন্মোচন হবে বলে তারা মনে করছেন।

আরও পড়ুন