১৭ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

সিঙ্গাইরে ছাত্রদলের ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির ১৫ জনের পদত্যাগ

জনশক্তি ডেস্ক:

১৮ বছর পর গত ২০ ডিসেম্বর সিঙ্গাইর উপজেলা ছাত্রদলের ২১ সদস্য বিশিষ্ঠ নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষনা করা হয়। এটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যায়িত করে চার দিন পর গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে সাংবাদিক সম্মেলন করে এক নং যুগ্ম-আহ্বায়ক মো: ওমর ফারুক মুন্নাসহ ১৫ জন সদস্য পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তাদের অভিযোগ, নবগঠিত কমিটিতে যোগ্য ও ত্যাগী ছাত্রনেতাদের অবমুল্যয়ন ও আওয়ামী লীগ অধ্যুষিতে একটি বিশেষ অঞ্চলের নেতাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

পদত্যাগকারী নেতারা হলেন, যুগ্ম-আহ্বায়ক মো: ওমর ফারুক মুন্না, কামরুল হাসান শাকিল, মো: রফিকুল ইসলাম, মো: ইকবাল হোসেন, সেলিম আল-দ্বীন, আবু আহম্মেদ টিটু, আরিফ হোসেন, মো: রবিউল করিম, তোফায়েল আহমেদ, কাউছার হোসাইন, সদস্য মো: সজীব খান, আল-আমীন, মাহমুদ হাসান তনয়, সালমান তারিক ও জহুরুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল নেতা মো: ওমর ফারুক মুন্না, কামরুল হাসান শাকিল ও মো: রফিকুল ইসলাম জানান, ১৮ বছর পর গত ২০ ডিসেম্বর মাহাবুব রহমান রনিকে আহ্বায়ক ও ফারুক হোসেন মুন্নাকে যুগ্ম-আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ঠ সিঙ্গাইর উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়। তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মতামত না নিয়ে এই কমিটি ঘোষণা করে জেলা ছাত্রদল। কমিটিতে যোগ্য ও ত্যাগী ছাত্রনেতাদের অবমুল্যয়ন ও অর্থের বিনিময়ে আওয়ামী লীগ অধ্যুষিতে একটি বিশেষ অঞ্চলের লোকদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে পুলিশি নির্যাতন, ক্ষমতাসীন দলের হামলা, মামলা ও জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন, এমন সব ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা-কর্মীরা কমিটিতে স্থান পাননি। এতে করে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাই নবগঠিত এই কমিটি প্রত্যাখ্যান করে ১০ জন যুগ্ম-আহ্বায়ক ও ৫ জন সদস্যহ মোট ১৫ জন স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি। এ কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি করার জন্য জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটিকে লিখিতভাবে জানানো হবে।

আরও পড়ুন