২৫শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে সিঙ্গাইর উপজেলা প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণ করলেন মানিকগঞ্জ নবাগত জেলা প্রশাসক আব্দুল লতিফ করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ডেল্টা প্লাস’নিয়ে কেন এত শঙ্কা গোটা বিশ্বের? রাশিয়াকে উড়িয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করলো ডেনমার্ক সিঙ্গাইরে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, নগদ এজেন্ট মালিককে অর্থদণ্ড প্রথম দিনে নাম নিবন্ধন করেছে ১৯৪জন পাসপোর্ট নাম্বার বিহীন লেবানন প্রবাসী সিঙ্গাইরে ট্রাকচাঁপায় মটরসাইকেল চালকের মৃত্যু একদিন নয়, প্রতিদিন হোক বাবা দিবস ব্র্যাকের মানবিধকার ও আইন সচেতনতা বিষয়ক মতনিময় সভা পরীমনির বাসা যেন মদের বার, প্রতিদিনই বসে আসর

সিঙ্গাইরে দখলদারদের উচ্ছেদ করে প্রকৃত মালিকদের জমি বুঝিয়ে দিল আদালত

জনশক্তি রিপোর্ট:

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে ১৩. ৪২ শতাংস জমি প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দিয়েছেন আদালত। তারা হলো-উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়নের মৃত রহিজুদ্দিনের ছেলে মফজেল খান, তার ভাই পারভেছ খান ও তাদের পারিবারের লোকজন। মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) ঢোল পিটিয়ে ও লাল পতাকা তুলে তাদের জমির মালিকানা ও দখল বুঝিয়ে দেন আদালত।

জানা যায়, উপজেলার জামির্তা ইউনিয়নের চাপরাইল গ্রামের মফজেল খা, তার ভাই পারভেজ খা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন চাপরাইল মৌজায় আরএস দাগ ৪২৯, ৪৩০, ৪৩১ ও ৪৩২ দাগের ১৩.৪২ শতাংস জমি দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক ভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন প্রতিবেশি মামুন, ইমরান, আলমাছ ও বিলকিছ বেগম এবং তাদের পরিবারের লোকজন। জমির দখল না ছাড়ায় ২০০৫ সালে মানিকগঞ্জ সহকারী জজ আদালতে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেন মফজেল খান ও তার স্বজনরা। দীর্ঘদিন মামলা চলার পর মফজেল খান, তার ভাই পারভেজ খান ও তাদের পরিবারের সদস্যদের পক্ষে রায় দেয় আদালত। একই সাথে তাদের (প্রকৃত মালিক)জমি বুঝে দেওয়ার জন্য আদেশ দেন। এরই প্রেক্ষিতে গত (১৯ জানুয়ারি) মঙ্গলবার অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে সীমানা নির্ধারণ করে ঢোল পিটিয়ে প্রকৃত মালিকদের জমি বুঝে দেওয়া হয়।

এসময় জেলা নাজির মো: আব্দুল করিম, অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান, শান্তিপুর পুলিশ ফাড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো: সাদেকুর রহমান ও উপসহকারী পরিদর্শক (এএসআই) মো: রিপনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা নাজির মো: আব্দুল করিম বলেন, দীর্ঘদিন মামলা চলার পর প্রকৃত মালিকগণের পক্ষে রায় দেয় বিজ্ঞ আদালত। বিজ্ঞ আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে ঢোল পিটিয়ে ও লাল নিশানা তুলে প্রকৃত মালিকদের জমির মালিকানা ও দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আদালতের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করে মফজেল খান ও তার ভাই পারভেজ খান বলেন, অবশেষে আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আদালতের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। দীর্ঘ ১৫ বছর বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ার পর জমির দখল বুঝে পাওয়ায় আমরা খুশি।

আরও পড়ুন