২৪শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে জুলহাস হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন মালয়েশিয়ায় স্বাধীনতার সুবর্ন জয়ন্তী ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা। সিঙ্গাইর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ শতভাগ পাশ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ বুকিত বিনতাং শাখার আলোচনা সভা তিন বছর পর বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করায় দোয়া মাহফিল সিঙ্গাইরের জয়মন্টপে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অটোরিক্সার ইঞ্জিনে চাদর পেঁচিয়ে সিঙ্গাইরে ব্যবসায়ীর মৃত্যু সিঙ্গাইরে চোখ উপড়ানো ডাকাতের লাশ উদ্ধার সিঙ্গাইর সদরে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কার্যক্রম অনুষ্ঠিত বিজয় দিবস উপলক্ষে সিঙ্গাইরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প
  • প্রচ্ছদ
  • সিঙ্গাইরে নকল প্রসাধনী পণ্যসহ প্রতারক ও হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার
  • সিঙ্গাইরে নকল প্রসাধনী পণ্যসহ প্রতারক ও হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার

    মোবারক হোসেন:

    নামিদামি ব্র্যান্ডের প্রসাধনী পণ্যসহ সুমন মিয়া (৩২) নামে এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সুমন টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলার সোলাকুড়ি গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। বুধবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলন করে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের এ তথ্য জানান সহকারি পুলিশ সুপার (সিঙ্গাইর সার্কেল) রেজাউল হক। এছাড়া এদিন ভোর রাতে উপজেলার বাস্তা গ্রামের চাঞ্চল্যকর নাসির হত্যা মামলার আসামী হাবিবুর রহমান হাবুকে (৩৫) গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। হাবু একই এলাকার হাজী সফর উদ্দিনের ছেলে।

    সাংবাদিক সম্মেলনে সহকারি পুলিশ সুপার রেজাউল হক জানান, একটি প্রতারকচক্র দীর্ঘদিন ধরে ইউনিলিভারসহ বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের প্রসাধনী পণ্য উপজেলার বিভিন্ন দোকানে বাজারজাত করে আসছিল। প্রসাধনী পণ্যের মধ্যে রয়েছে জনসন সোপ, কুমারিকা, ফেয়ার এন্ড লাভলী, ডাবর আমলা হেয়ারঅয়েল, বেবী লোশন, ফগ বডি স্প্রে, ভিট, সেনসোডাইন টুথপেষ্ট, ও যৌন উত্তেজক ঔষুধসহ বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানীর নকল কসমেটিকস পণ্য।

    তিনি আরও জানান, গত মঙ্গলবার উপজেলার নীলটেক বাজারে ফরিদুল ইসলামের মালিকানাধীন সাইমুন স্টোরে ইউনিলিভার কোম্পনীর বিক্রয় প্রতিনিধি পরিচয়ে সুমন ও রাসেল নামে দুই প্রতারক ওই কোম্পনীর কসমেটিকস পণ্য বিক্রি করার জন্য যান। এসময় দোকানদার ফরিদুল ইসলাম ১৫ হাজার টাকা মুল্যমানের জনসন সোপ, কুমারিকা, ফেয়ার এন্ড লাভলী, ডাবর আমলা হেয়ারঅয়েলসহ বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস পন্যের অর্ডার দেন। কিন্তু টাকা দেওয়ার পর ইউনিলিভার কোম্পানীর নকল পণ্য সরবরাহ করেন তারা। এরই মধ্যে প্রতারক রাসেল টাকা নিয়ে কৌশলে পালিয়ে গেলেও সুমন মিয়াকে আটক করে পুলিশ খবর দেয় স্থানীয়রা। রাসেলের বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে। পরে সুমনকে থানা পুলিশের হাতে সোর্পদ করা হয়। তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা মূল্যমানের নকল প্রসাধনী পণ্য উদ্ধার হয়। এঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে দুই প্রতারকের নামে থানায় মামলা হয়েছে।

     

    এদিকে উপজেলার বাস্তা গ্রামের চাঞ্চল্যকর নাসির হত্যা মামলার আসামী হাবিবুর রহমান হাবুকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে থানা পুলিশ। হাবু একই এলাকার হাজী সফর উদ্দিনের ছেলে। বুধবার ভোররাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের আবদুল্লাহপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) সফিকুল ইসলাম মোল্লা বলেন, নকল প্রসাধনী পণ্য বিক্রির অভিযোগে প্রতারক সুমন মিয়া ও তার সহকর্মী রাসেলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। রাসেল পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। গ্রেফাতারকৃত নাসির হত্যা মামলার আসামী হাবিবুর রহমান হাবু ও প্রতারক সুমন মিয়াকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

    আরও পড়ুন