২৫শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে সিঙ্গাইর উপজেলা প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণ করলেন মানিকগঞ্জ নবাগত জেলা প্রশাসক আব্দুল লতিফ করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ডেল্টা প্লাস’নিয়ে কেন এত শঙ্কা গোটা বিশ্বের? রাশিয়াকে উড়িয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করলো ডেনমার্ক সিঙ্গাইরে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, নগদ এজেন্ট মালিককে অর্থদণ্ড প্রথম দিনে নাম নিবন্ধন করেছে ১৯৪জন পাসপোর্ট নাম্বার বিহীন লেবানন প্রবাসী সিঙ্গাইরে ট্রাকচাঁপায় মটরসাইকেল চালকের মৃত্যু একদিন নয়, প্রতিদিন হোক বাবা দিবস ব্র্যাকের মানবিধকার ও আইন সচেতনতা বিষয়ক মতনিময় সভা পরীমনির বাসা যেন মদের বার, প্রতিদিনই বসে আসর

সিঙ্গাইরে নারী মাদ্রাসা সুপারকে মারধর: ৬ জন গ্রেফতার

জনশক্তি রিপোর্ট:

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে একটি মহিলা মাদ্রাসার নারী সুপার মোসাম্মাৎ হাজেরা আক্তারকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলার ৬ আসামীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ মে) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে পৌর শহরের কাংশা রোড থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- উপজেলার সায়েস্তা ইউনিয়নের লক্ষীপুর তালতলা গ্রামের মোসলেম উদ্দিন মুসা (৫৫), তার স্ত্রী মোসাম্মাৎ তাছলিমা (৪৫), ছেলে আলমগীর (২৬) হাফিজুর রহমান (২৪), মেয়ে আমেনা বেগম (৩০) ও পৌর এলাকার আজিমপুর গ্রামের আবু সায়েদ (৩০)।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত রবিবার (৯ মে) বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে উপজেলার লক্ষীপুর তালতলা গ্রামের ইস্রাফিল মিয়ার স্ত্রী হাজেরা আক্তারের বসত বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে মারধর করে তারই ভাসুর মুছলেম উদ্দিন মুসা ও তার পরিবারের সদস্যরা। এসময় বাড়িঘর ভাঙচুর ও একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা।

পরে হাজেরা আক্তারের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। হাজেরা আক্তার উপজেলার গোবিন্দল জায়নব বিনতে মুহাম্মদ(সাঃ) বালিকা মাদরাসা ও এতিম খানার সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

হামলা ও মারধরের ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মোসলেম উদ্দিন মুসা (৫৫), তার স্ত্রী মোসাম্মাৎ তাছলিমা (৪৫), ছেলে আলমগীর (২৬) হাফিজুর রহমান (২৪), মিলন (২৮) মেয়ে আমেনা বেগম (৩০) ও পৌর এলাকার আজিমপুর গ্রামের আবু সায়েদ (৩০) ও অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামী করে থানায় মামলা করেন নির্যাতিত হাজেরা আক্তারের ভাই মো: আবু সায়েম।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তারেকুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর থেকে আসামীরা পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে এজহারভুক্ত ৭ আসামীর মধ্যে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামী মিলনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরু জানান, তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবেনা।

আরও পড়ুন