২৪শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
পৌর নির্বাচন ও দলীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে সিঙ্গাইর উপজেলা আ.লীগের বর্ধিত সভা গৃহকর্মীকে ধর্ষণের পর সাততলা থেকে ফেলে দেওয়া হয় ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঢাকা মহানগর উত্তর আ.লীগের অর্থ সম্পাদক হলেন শিল্পপতি সালাম চৌধুরী টিউশন ফি ছাড়া অন্য খাতে অর্থ নিতে পারবে না স্কুল-কলেজ লেবানন কেন্দ্রীয় আ’লীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সত্যি হলো আসিফ নজরুলের ভবিষ্যত বানী, বাইডেন ৩০৬ ও ট্রাম্প ২৩২ সিঙ্গাইরে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষে নারী উন্নয়ন সংস্থার সংবাদ সম্মেলন ফ্রান্সে মহানবীর (সা) ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন: প্রতিবাদে তারাকান্দায় মিছিল সমাবেশ বাসে আগুন, বিএনপির ৪৪৬ নেতাকর্মীর নামে ৯ মামলা,আটক ২০
  • প্রচ্ছদ
  • স্ত্রীসহ মাহী বি চৌধুরীকে দুদকের ফের তলব




  • স্ত্রীসহ মাহী বি চৌধুরীকে দুদকের ফের তলব

    জনশক্তি রিপোর্ট: সাংসদ মাহী বি চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী আশফাহ্ হক লোপাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২৫ আগস্ট ফের তলব করেছে। অর্থপাচার ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। আজ বুধবার এই দম্পতির হাজির হওয়ার দিন থাকলেও তাঁরা হাজির না হয়ে সময় বাড়ানোর আবেদন করেন। তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সময় বাড়িয়ে ২৫ আগস্ট হাজির হতে বলেছে দুদক।

    দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    সকাল ১০টায় সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে মাহী বি চৌধুরী ও স্ত্রী আশফাহ্ হক লোপাকে তলব করে আলাদা আলাদা চিঠি পাঠান সংস্থাটির উপপরিচালক জালাল উদ্দিন আহমেদ। গত রোববার তাঁদের দুজনকে ওই চিঠি পাঠানো হয়।

    চিঠিতে বলা হয়, মাহী বি চৌধুরীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে অর্থপাচার ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ সম্পর্কে বক্তব্য দিতে তাঁদের দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

    মাহী বি চৌধুরী সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ছেলে এবং বিকল্প ধারা বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যুগ্ম মহাসচিব।

    দুদক সূত্র জানায়, মাহী ও তাঁর স্ত্রী বিভিন্ন সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করেছেন বলে দুদকে আসা অভিযোগে বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, অজ্ঞাত খাত থেকে আয়ের টাকা তাঁরা কৌশলে বিদেশে নিয়ে গেছেন। বিএনপি সরকারের সময়সহ বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ অর্থের মালিক হয়েছেন তাঁরা। এসব অভিযোগ প্রাথমিকভাবে যাচাই-বাছাই করে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি। উপপরিচালক জালাল উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়।

    আরও পড়ুন