২১শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • হরিরামপুরে শিশু ধর্ষণ মামলার মুল আসামীসহ তিনজন গ্রেফতার




  • হরিরামপুরে শিশু ধর্ষণ মামলার মুল আসামীসহ তিনজন গ্রেফতার

    জনশক্তি রিপোর্ট:

    মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার মূল আসামি শেখ জামিরসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১০ টার দিকে ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে শেখ জামির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে এদিন সন্ধায় জামির হোসেনের মা জয়গুন বেগম ও ভাই কামাল হোসেনকে হরিরামপুর উপজেলার নটাখোলা থেকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ।

    থানা পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, অভাবের তাড়নায় ৩ বছর আগে ধর্ষণের শিকার শিশুটির মা বিদেশে যায়। তার বাবা থাকেন ফরিদপুরে। সেখানে তিনি রিকশা মেরামতের কাজ করেন। মেয়েটি হরিরামপুর উপজেলার বালিয়াচর এলাকায় তার নানীর কাছে থাকেন। গত ৩ অক্টোবর সকালে প্রতিবেশী জামির হোসেন শিশুটিকে কৌশলে তাদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তাকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে সে। পরে ৫ টাকার একটি নোট হাতে ধরিয়ে দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। বাড়িতে ফিরে শিশুটি কান্নাকাটি করে ও ঘটনার বিস্তারিত তার নানীর কাছে খোলে বলে। এক পর্যায়ে অচেতন হয়ে পড়লে শিশুটিকে মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমান সেখানে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    শিশুটির নানী বলেন, ঘটনাটি অভিযুক্ত জামির হোসেনের বাবা ছামিদ আলীকে জানালে তিনি সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন। কিন্তু তিন দিনেও তার কাছ থেকে বিচার না পেয়ে বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানানো হয়। ইউপি সদস্য আমাদের থানায় গিয়ে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন।

    হরিরামপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক ( ওসি) মুঈদ চৌধুরী জানান, বুধবার বিকালে ধর্ষণের শিকার শিশুর বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত শেখ জামির হোসেন ও তার বাবা শেখ ছামেদ আলী, মা জয়গুন বেগম ও ভাই শেখ কামাল হোসেনকে আসামী করে থানায় মামলা করেন। মামলার পর এদিন সন্ধ্যার দিকে হরিরামপুর উপজেলার নটাখোলা থেকে জয়গুন, শেখ কামাল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রাত ১০ টার দিকে ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালি থেকে জামির হোসেনকে গ্রেফতার করে থানায় আনা হয়েছে। অপর আসামীকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

    মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

    Print Friendly, PDF & Email

    আরও পড়ুন