৩০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
শয়তান যেভাবে মুসলিম ভ্রাতৃত্ব বিনষ্ট করে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর: হাজী সেলিমের ছেলে এরফান গ্রেপ্তার সালাম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য: ঢাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে মামলা ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন সিঙ্গাইরের কৃতি সন্তান রেজাউল করিম তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদের সুস্থতা কামনায় রাজশাহীতে দোয়া মাহফিল সম্পত্তির লোভে মায়ের লাশ ৫ টুকরো করল ছেলে! কারাফটকে বিয়ে, তারপর মিলবে সাজাপ্রাপ্ত ধর্ষকের জামিন: হাইকোর্ট সিঙ্গাইরে যাত্রীবাহী বাস খাদে, চালকসহ তিনজন নিহত লেবাননে ফের সায়াদ হারিরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত ডিআইজি হাবিবুর রহমানের জায়গায় হলো বেদে সম্প্রদায়ের কবরস্থান
  • প্রচ্ছদ
  • হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায়




  • হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায়

    হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায়। সোমবার (২৫ মে) বেলা ১১টা, ২ নম্বর কয়রা গ্রাম, কয়রা, খুলনা। ছবি: প্রথম আলোঘূর্ণিঝড় আম্পানে ভেঙে গেছে নদীর বাঁধ। তলিয়ে গেছে এলাকা। চারদিকে শুধু পানি আর পানি। এই পানির মধ্যেই দাঁড়িয়ে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন খুলনার কয়রা উপজেলার ২ নম্বর কয়রা গ্রামের লোকজন।

    এলাকার লোকজন জানান, আম্পানের ফলে এ উপজেলার ৮০ ভাগ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ঝড়ের তাণ্ডবে ১২১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ২১টি স্থানে ৪০ কিলোমিটারের বেশি অংশ ভেঙে গেছে। আজ সকালে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ নির্মাণে স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নেন কয়েক হাজার মানুষ। কাজের ফাঁকে বেলা ১১টার দিকে ২ নম্বর কয়রা গ্রামের লোকজন পানিতে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

    ঈদের নামাজে ইমামতি করেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আ খ ম তমিজ উদ্দিন। এতে অন্যদের মধ্যে অংশ নেন উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম। তিনি নামাজের আগে এলাকাবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কয়রাবাসীর দুর্বিষহ অবস্থা তুলে ধরেন এবং মজবুত বাঁধ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণের কাজে অংশ নেওয়ার জন্য এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানান।

    এস এম শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এবার আমরা অন্য রকম ঈদ পালন করছি। স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণের সময় জোয়ারের পানি যখন হাঁটু পর্যন্ত পৌঁছায়, তখন ঈদের নামাজ শুরু হয়। প্রায় ৬ হাজার মানুষ নামাজে অংশগ্রহণ করেন। আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে সবার জন্য ঈদের সেমাইয়ের ব্যবস্থা করেছি। এ ছাড়া দুপুরে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে খিচুড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

    ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে খুলনার ৯টি উপজেলার ৮৩ হাজার ৫৬০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে কয়রা। এ উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল লোনা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বাঁধ ভেঙে ছোট-বড় ৫ হাজার মাছের ঘের ভেসে গেছে। অসহায় হয়ে পড়েছে প্রায় সাত লাখ মানুষ।

    Print Friendly, PDF & Email

    আরও পড়ুন