২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
অটোরিকশা চালকদের খাদ্যসামগ্রী দিয়ে প্রশংসিত ওসি সিঙ্গাইর পৌর এলাকায় ন্যায্য মুল্যে ওএমএস’র চাল ও আটা বিক্রি শুরু লকডাউনে সিঙ্গাইরে কারখানা খোলা রাখায় পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের দায়ে সিঙ্গাইরে ৫১ জনকে ৫৬৪০০ টাকা জরিমানা এবার ঈদে কোরবানি হয়েছে ৯৭ লাখ পশু, অবিক্রীত ২৮ লাখ ডিসির মহানুভবতা: দণ্ডের পরিবর্তে খাদ্যসামগ্রী পেল অটোরিকশা চালকরা লেবাননে বাংলাদেশী প্রবাসীদের ঈদ আনন্দ মেলা আনন্দঘন পরিবেশে আজকের তরুণ কণ্ঠ’ র বর্ষপূর্তি উদযাপন সিঙ্গাইরে চালককে জবাই করে অটোরিকশা ছিনতাই, গাড়িসহ তিনজন গ্রেফতার বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ সম্প্রীতির মানিকগঞ্জ ফেসবুক গ্রুপের

২৪ ঘণ্টায় চীনে করোনা আক্রান্ত হয়নি কেউ

করোনা ভাইরাস মহামারি শুরুর পর চীনে প্রথমবারের মতো গত ২৪ ঘণ্টায় স্থানীয় পর্যায়ে নতুন করে সংক্রমণের সংখ্যা শূন্য।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের বরাত দিয়ে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এ তথ্য জানায়।

চীনজুড়ে আরও ৩৪ জন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হলেও তারা কেউ স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হননি। তারা সবাই বিদেশফেরত। অপরদিকে, কোভিড-১৯ এর উৎসস্থল হুবেই প্রদেশে স্থানীয়ভাবে বা বিদেশ থেকে নতুন করে কেউ এ রোগে আক্রান্ত হননি।

এছাড়া, মৃত্যুও একক সংখ্যায় নেমে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চীনে আট জন মারা গেছেন। সব মিলিয়ে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে দেশটিতে মারা গেছেন ৩ হাজার ২৪৫ জন। এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৮০ হাজার ৯২৮ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭০ হাজার ৪২০ জন।

১০ জানুয়ারি থেকে দৈনিক হুবেই প্রদেশে ও ২০ জানুয়ারি থেকে চীনের মূল ভূখণ্ডে কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা জানাচ্ছে কমিশন।

বিশ্বজুড়ে এ মহামারিতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে চীনের তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকরা।

চীন ও অন্য দেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সন্দেহ করছেন, শুরুর দিকে বেইজিং ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের বিষয়টি গোপন করেছে। দেশটিতে নভেম্বরে ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলেও, ডিসেম্বরের শেষের দিকে নতুন রোগের বিষয়টি বুঝতে পারে চীনা চিকিৎসকরা।

সংক্রমণ কমলেও সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। চীনের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ঝং নানশান বলেন, ‘শক্তিশালী পদক্ষেপ ছাড়া করোনা ভাইরাস দূর করা সম্ভব নয়। চীন যে পদ্ধতিতে অবলম্বন করেছে, অন্য দেশগুলোকেও সে পদ্ধতি কাজে লাগাতে হবে। দ্রুত প্রতিরোধ, দ্রুত শনাক্ত, দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং দ্রুত কোয়ারেন্টিন- এ চার ‘দ্রুত’ পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।’

এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ১৯ হাজার ২৩৮ এবং মারা গেছেন ৮ হাজার ৯৬৭ জন। ১৭৫টি দেশ ও অঞ্চলে রোগটি ছড়িয়ে গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, এ মহামারির কেন্দ্র এখন ইউরোপ।

আরও পড়ুন